কন্যা সন্তানের ইসলামিক নামের তালিকা অর্থসহ

ইসলাম ধর্মের পুত্র ও কন্যা সন্তানের নাম রাখার ক্ষেত্রে ইসলামিক নাম হওয়া অনেক জরুরী। জন্মের পর প্রতিটি শিশুর সুন্দর নাম পাওয়ার অধিকার নিয়ে জন্মায় কেননা বাবা-মায়ের প্রথম দায়িত্ব সন্তানের জন্য একটি সুন্দর নাম নির্বাচন করা। একটি নাম শুধুমাত্র একটি নাম নয় বরং এটি সারা জীবন একজন ব্যক্তির সাথে সাথে চলবে।

একটি ছোট শিশু একদিন অনেক বড় হবে এবং তার নামে তার পরিচয় বহন করবে। মানুষ মৃত্যুবরণ করে এবং দেহের অংশ বিলীন হয়ে যায় কিন্তু একটি সুন্দর নাম কখনো বিলীন হয়না বরং যুগে যুগে সেই মানুষটির কথা সকলকে স্মরণ করিয়ে দেয়। ইসলামে নাম রাখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সর্তকতা অবলম্বন করা হয়। একটি নাম এর মাধ্যমে একটি মানুষের সম্পর্কে ধারণা রাখে মানুষ।

অনেক সময় দেখা যায় যে নামের বৈশিষ্ট্য ও গুনাগুন শিশুর মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়। নাম শুধুমাত্র পরিচয় বহন করে না বরং একটি শিশুর ব্যক্তিত্বের উপর প্রভাব বিস্তার করে। এই কারণে ইসলাম ধর্মে সন্তানের নাম রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। নেগেটিভ ও খারাপ অর্থ বহন করে এমন নাম রাখা ইসলামে বৈধ নয় তাই মুসলিমরা নাম রাখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত ভাবনা-চিন্তাও সর্তকতা অবলম্বন করে থাকে। কেননা একটি নাম সারা জীবন একটি মানুষের উপর প্রভাব বিস্তার করে থাকে ও তার ব্যক্তিত্বের সাথে জড়িয়ে যায় মৃত্যুর পরেও থেকে যায় যুগ যুগ ধরে।

কন্যা সন্তানের নাম রাখার ক্ষেত্রে মুসলিম পরিবারগুলো বিশেষ সর্তকতা অবলম্বন করে। ইসলামে কিছু মহীয়সী গুণবতী নারী ঘটনা আমরা পাই যারা মানুষের সাথে এতটাই মহান ছিল যে মৃত্যুর এতকিছুর পরেও মানুষ তাদের প্রশংসা করে। তাই তাদের সুন্দর নাম গুলো পরিবার তাদের মেয়ে বাচ্চাদের দিতে চায়। একটি কন্যা সন্তান যখন বড় হয়ে তার নামের সুন্দর অর্থ ও মাহাত্ম্য বুঝতে পারবে অবশ্যই সে সময়ের গুরুত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করবে।

ইসলামী মহীয়সী নারীরা যারা ইতিহাসে আজও শ্রদ্ধেয় যেমন, খাদিজা, আয়েশা, ফাতিমা, রাবেয়া, মরিয়াম, লায়লা, হাজেরা ইত্যাদি নামসমূহ বেশিরভাগ সময় মুসলিম মেয়েদের দেখা যায়। মুসলিম মেয়েরা বড় হয়ে যখন এসব মহীয়সী নারীদের জীবন ও আদর্শ সম্পর্কে জানতে পারবে অবশ্যই তারা তাদের নিজের জীবন পরিচালিত ও তাদের সৌন্দর্য ধরনের চেষ্টা করবে। তাই শিশুর নামের ক্ষেত্রে সুন্দর নাম রাখার কোনো বিকল্প নেই।

ইসলামে নারীদের অনেক সম্মানিত করা হয়েছে এবং বড় বড় ইসলামিক ব্যক্তিবর্গরা উপদেশ দিয়েছেন যে নাম রাখার ক্ষেত্রে যেন ইসলামিক কালচার অর্থগুলো বিবেচনা করে রাখা হয়। একটি খারাপ অর্থ বহনকারী নাম একটি মানুষের চরিত্রের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে। ইসলামিক কিছু নাম নিষিদ্ধ করা হয়েছে আবার কিছু নাম রাখার জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে।

তাই কোনো শিশুর নাম নির্বাচন এর ক্ষেত্রে বিশেষ সর্তকতা অবলম্বন করে তবেই নাম রাখা উচিত। নাম রাখার ক্ষেত্রে শুধু নামটা শ্রুতিমধুর আকর্ষণীয় হলেই চলবে না বরং নামের অর্থ অনেক সুন্দর হতে হবে। বেশিরভাগ অভিভাবকরা চায় সন্তানের নামটা যেন সুন্দর হয় এবং ভবিষ্যতে সুন্দর নাম ঠিক মতোই যেন সুন্দর জীবন গঠন করতে পারে তাদের আদরের প্রিয় সন্তান।

আপনারা যেন খুব সহজেই মুসলিম মেয়েদের জন্য কিছু অসাধারণ ইসলামিক নাম সহজেই পেতে পারেন তাই আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে অর্থসহ মুসলিম মেয়েদের জন্য অনেক সুন্দর সুন্দর নাম সংগ্রহ করেছি। এসব ইসলামিক নাম গুলো শুনতে যেমন শ্রুতিমধুর তেমনি উচ্চারণের সহজ ও সংক্ষিপ্ত। আপনারা চাইলে খুব সহজেই আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে এসব নামগুলো দেখে নিতে পারবেন।

যখনই আপনার প্রয়োজন হবে আপনি আমাদের ওয়েবসাইট এর নাম গুলো থেকে আপনার পরিবারের সবচেয়ে কনিষ্ঠ মেয়ে শিশু সন্তানের জন্য আকর্ষণীয় অফার ইসলামিক নাম বেছে নিতে পারবেন। আশা করা যায় যে আমাদের নামের তালিকা গুলো অনেক সুন্দর হবে পর্যায়ক্রমে অর্থসহ সাজিয়ে রেখেছি আমরা। তাই আপনারা খুব সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে ভিজিট করতে পারবেন এসব নামগুলো এবং নাম গুলো আপনাদের অনেক পছন্দ হবে।

শাহরিয়ার হোসেন

শাহরিয়ার হোসেন একজন ক্ষুদ্র ব্লগার। লিখতে খুব ভালোবাসেন। অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগে ২০১৮ সালের জানুয়ারী থেকে লিখছেন। কাজের চেয়ে নিজের নাম প্রচারের ওপর বেশি গুরুত্ব দেন। সে চিন্তা থেকেই এই ব্লগের উৎপত্তি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button