গর্ভে ছেলে সন্তান কোন পাশে থাকে

গর্ভে ছেলে সন্তান কোন পাশে থাকে

গর্ভাবস্থায় সন্তান ছেলে না মেয়ে সেটা জানার ইচ্ছে যদি থাকে তাহলে কোন ধরনের পরীক্ষা ছাড়াই আপনি বুঝতে পারবেন আপনার গর্ভে থাকা সন্তান ছেলে না মেয়ে। তবে সবার প্রথমে আপনাকে মাথায় রাখতে হবে যে এটা জানাটা এতটা জরুরি বিষয় নয় তার কারণ হলো এটা আপনার এবং আপনার সন্তানের জন্য সুস্থতা নিয়ে আসে না। যদি আপনি প্যাথলজিক্যাল টেস্ট বা আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে গর্বের সন্তান ছেলে না মেয়ে সেটা জানতে চান তাহলে সেটা আপনার জন্য ক্ষতির কারণ।

এছাড়াও যারা গর্ভাবস্থায় সন্তান ছেলে না মেয়ে জানতে চায় এবং এর জন্য বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সে ক্ষেত্রে এটা অনেক বড় একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। বাংলাদেশে যে আইন করা আছে সে আইন অনুযায়ী যে ডাক্তার আল্টাসনোগ্রাফির মাধ্যমে রোগীকে জানাবে গর্ভ অবস্থায় তার সন্তান ছেলে না মেয়ে সে ডাক্তারের তিন মাস থেকে ছয় মাসের জেল হতে পারে এবং তার সঙ্গে সেই অভিভাবকেরও জরিমানা হতে পারে।

গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে কিভাবে বুঝবেন

সাধারণত গর্ভে সন্তান থাকা অবস্থায় সে সন্তানের সব থেকে কাছে থাকে তার মা এবং সেই মা বিভিন্ন লক্ষণ দেখে বুঝতে পারে তার পেটে কি সন্তান আছে। তবে প্রত্যেকটি মাই গর্ভে থাকা সন্তান ছেলে হোক বা মেয়ে হোক যেকোনো একটিতে সন্তুষ্ট তিনি চান সবসময় তার সন্তান যেন সুস্থ থাকে। আজকে আমরা জানার চেষ্টা করব গর্বের সন্তান ছেলে না মেয়ে এই নিয়ে গতানুগতিক যে ধারাগুলো বা যে নিয়মগুলো আমাদের দেশে আসে সেগুলো সম্পর্কে।

তবে আপনাদের মধ্যে যারা আত্মীয়-স্বজনের চাপে অথবা নিজের পরিবারের চাপে গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে জানার উদ্দেশ্যে আজকের আর্টিকেল পর পড়বে তাদেরকে বলব একটু দূরে থাকতে। হতে পারে খুশির বসে আপনি এটা জানতে চাচ্ছেন তাহলে ঠিক আছে কিন্তু এটা জানা এক ধরনের অপরাধ।

যদি গর্ভাবস্থায় নারীর পেট নিচু থাকে অনেকে তো দেখা যায় যে খুব বেশি উঁচু দেখায় না সন্তান এর বয়স অনেক বেশি হয়ে গেছে তারপরও পেট বড় হয় না সে ক্ষেত্রে অনেকে ধারণা করেন যে সেখানে যে বাচ্চা আছে সেটা হচ্ছে ছেলে সন্তান। তবে বৈজ্ঞানিকভাবে দেখা গেছে যে এটা একেবারে ভ্রান্ত ধারণা তার কারণ হলো এখানে প্রথম সন্তান হলে পেট উঁচু হতে পারে এবং দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সন্তানের বেলা পেট স্বাভাবিকভাবে নিচু হয়।

আবার অনেকেই ধারণা করেন যে যদি সন্তান বেশি নড়াচড়া করে এবং বেশি লাথি মারে তাহলে গর্ভে সন্তানটি হচ্ছে ছেলে। তবে বৈজ্ঞানিকভাবে এটাও প্রমাণিত হয়েছে যে গর্ভের সন্তান যত বেশি সুস্থ থাকবে সে তত বেশি নড়াচড়া করবে এতে করে বেশি নড়াচড়া করা গর্ভে থাকা সন্তানটি ছেলে এটা বাধ্যতামূলকভাবে শিওর ভাবে বলা যাবে না। অনেক ক্ষেত্রে মায়ের শারীরিক অবস্থা দেখেও বোঝা যায় যে গর্ভে সন্তান ছেলে আছে না মেয়ে।

অনেকে মনে করে যে গর্বে থাকা সন্তানটি যদি ছেলে হয় তাহলে শারীরিকভাবে মা বেশি সুস্থ থাকে এবং গর্ভে থাকা সন্তান যদি মেয়ে হয় তাহলে শারীরিকভাবে মা বেশি অসুস্থ থাকে। তবে এগুলোর সঙ্গে সন্তান হওয়ার পর সেটার মিল নাও থাকতে পারে। তাই অবশ্য আপনাকে ফোকাস করতে হবে কিভাবে গর্ভবতী মায়ের এবং গর্ভে থাকা সন্তানের সুস্থ শরীর বজায় থাকে সেটা।

গর্ভে থাকা সন্তান ছেলে না মেয়ে

এটা আমার কাছে সব থেকে বাজে প্রশ্ন মনে হয় তার কারণ হলো গর্ভে থাকা সন্তান ছেলে না মেয়ে সেটা জেনে আপনার কি লাভ। তা জানতে পারলে কি টাকা পাওয়া যাবে না এটা জানতে পারলে অদ্ভুত কিছু ঘটবে। অবশ্যই এটা জানার কোন প্রয়োজনীয়তা নেই তবে জানতে হবে গর্ভে থাকা সন্তান সুস্থ আছে না অসুস্থ আছে এটাই হচ্ছে মুখ্য বিষয়।

About শাহরিয়ার হোসেন 4779 Articles
Shahriar1.com ওয়েবসাইটে আপনার দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় যা কিছু দরকার সবকিছুই পাবেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*