ক্যাপাসিটর এর কাজ কি

ক্যাপাসিটর এর কাজ কি

আপনি যদি ক্যাপাসিটর এর কাজ সম্পর্কে ধারণা অর্জন করার জন্য এখানে ভিজিট করে থাকেন তাহলে আমরা আপনাদেরকে এ বিষয়ে বৈজ্ঞানিকভাবে যৌক্তিক প্রদান করার মাধ্যমে এটার তথ্যগুলো বুঝিয়ে দেব। সেই সাথে আপনার এখান থেকে ক্যাপাসিটর কি এবং ক্যাপাসিটর এর কাজ কি সে বিষয়ে সঠিক ধারণা অর্জন করতে পারবেন। তবে সহজ ভাবে আমরা যদি আপনাদেরকে বুঝিয়ে দিতে

চাই তাহলে বলতে পারি যে আমরা যখন ফ্যানের বাতাস আসতে বলে মনে করি এবং দ্রুত দেওয়ার জন্য যে সুইচ বোর্ডের সঙ্গে সংযুক্ত ঘূর্ণনশীল কিছুকে ঘুরিয়ে ফাইনাল গতি বৃদ্ধি করে থাকে সেটাই হল ক্যাপাসিটর। তাছাড়া বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে আমরা আপনাদেরকে এখানে সঠিক তথ্য দিব বলে আপনার এগুলো বুঝতে পারবেন এবং আশা করি এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদের ক্যাপাসিটর সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা চলে আসবে।

বর্তমানে গরমের দিন চলে এসেছে এবং গরমের দিনে আমরা ফ্যান ছাড়া চলতে পারি না বলে প্রয়োজনে আমরা ফ্যানের গতি বৃদ্ধি করে দিয়ে এবং দ্রুত বাতাস খেতে থাকে। আবার অনেক সময় ফ্যানের বাতাস আমাদের কাছে ঠান্ডা লাগে বলে মনে হয় এবং সেই ক্ষেত্রে আমরা ফ্যানের গতি কমিয়ে দিই।

এই যে ফ্যানের গতি কমিয়ে দেওয়া অথবা বৃদ্ধি করে দেওয়ার জন্য যে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করি সেটার মাধ্যমে আমরা সকল ধরনের কাজ করতে পারি। তাই আপনারা যে গতি ব্যবহারের জন্য গোল ধরনের ঘূর্ণনশীল অংশটি ব্যবহার করে থাকেন সেটাই হচ্ছে ক্যাপাসিটর হিসেবে পরিচিত এবং আমরা দেখব যে প্রত্যেকটা সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ক্যাপাসিটর অথবা বিভিন্ন ধরনের ফ্যানের সঙ্গে ক্যাপাসিটর সংযুক্ত করা থাকে।

সাধারণত আপনাদের অনেক সময় একটা প্রশ্ন করা হয় যে বৈদ্যুতিক পাখা যদি আসতে চলে অথবা জোরে চলে তাহলে বিদ্যুৎ বিল কেমন আসে। তাই ক্যাপাসিটর প্রসঙ্গে আপনাদেরকে আমরা এখানে একটা বিষয় সম্পর্কে জানিয়ে দিতে চাই যে আপনি যদি ফ্যান চালিয়ে থাকেন

তাহলে অবশ্যই আপনাকে একই পরিমাণ বিল দিতে হবে। অর্থাৎ ফ্যানের ভেতরে যে ধরনের বৈজ্ঞানিক বিষয় সংযুক্ত আছে তাতে করে বিদ্যুৎ একই খরচ হয়ে থাকে এবং ক্যাম্পাসের মাধ্যমে আপনি শুধু বিদ্যুতের গতি বৃদ্ধি করার বিষয়টি বাড়িয়ে দিচ্ছেন বলে এক্ষেত্রে বিদ্যুতের পরিবর্তন হবে না অথবা একই বিদ্যুতে ফ্যানের গতি কমবে অথবা বাড়বে। তাই বিদ্যুৎ বিল একই রকমের আসবে।

তবে আপনাদেরকে ক্যাপাসিটর প্রসঙ্গে এখানে জানিয়ে দেবো বলে বলেছি এবং এই প্রসঙ্গে আপনাদেরকে এখন তা জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যদি বৈজ্ঞানিকভাবে এটার সংজ্ঞা পেতে চান তাহলে বলব যে ক্যাপাসিটর হল এমন এক ধরনের জিনিস যেটা বিদ্যুতের সাহায্যে ঘুন্নন গতিশীল চার্জারে ব্যবহার করা হয়ে থাকে এবং এই ব্যবহার করার ফলে এটার গতি কম অথবা বৃদ্ধি করা হয়। তাই ক্যাপাসিটর এর মাধ্যমে

যেকোনো ধারক অথবা চার্জ কে ধারণ করে রাখে বলে এটার গুরুত্ব অপরিসীম এবং এটার মাধ্যমে মটর অথবা বৈদ্যুতিক পাখা অথবা বিভিন্ন ধরনের পাওয়ার ফ্যাক্টর এর ইমপ্রুভার হিসেবে কাজ করে থাকে। তাই ক্যাপাসিটর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে থাকার কারণে অনেক মোবাইলে চার্জারে ক্যাপাসিটর থাকে এবং এর মাধ্যমে খুব সহজেই ফিল্ডিং করার মাধ্যমে আমরা যেকোনো ধরনের সুবিধা গ্রহণ করতে পারি।

তাই আমরা এখান থেকে এটা বুঝতে পারলাম যে ক্যাপাসিটারের প্রধান কাজ হল বৈদ্যুতিক চার্জ ধরে রাখা। যখন কোন ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার মাধ্যমে সেটা যেমন চার্জ ধরে রাখে এবং ব্যবহার করার ফলে যেমন সেটার চার্জ আস্তে আস্তে রিলিজ হতে থাকে ঠিক ক্যাপাসিটিরের ক্ষেত্রেও একই ধরনের কাজ হয়ে থাকে। রিচার্জেবল ব্যাটারি এবং ক্যাপাসিটর এর ক্ষমতা একই রকম হওয়ার কারণে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভাবে দায়িত্ব পালন করে থাকে এবং ক্যাপাসিটর বৈদ্যুতিক বহনের ক্ষেত্রে জেডিসি এবং এসির সম্পর্ক রয়েছে তাতে করে ডিসি কে বাধা প্রদান করে এবং এসি কে আসতে সাহায্য করে।

About শাহরিয়ার হোসেন 4780 Articles
Shahriar1.com ওয়েবসাইটে আপনার দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় যা কিছু দরকার সবকিছুই পাবেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*