ত দিয়ে হিন্দু মেয়েদের আধুনিক নামের তালিকা অর্থসহ

একটি পরিবারের নতুন সদস্য জন্মগ্রহণ করে তখন পরিবারের সদস্যদের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য হল বাচ্চাটিকে একটি সুন্দর নাম দেওয়া। একটি সুন্দর নাম দেওয়ার মাধ্যমে পরিচয় পায় একটি শিশু এবং সেই পরিচয় নিয়ে সে বড় হতে থাকে এবং সারা জীবন এই পৃথিবীতে বিচরণ করে। নামের মাধ্যমে একজন মানুষ পৃথিবীতে সকলের মাঝে পরিচিত হয় এবং তাকে আলাদা করে সনাক্ত করা যায়। তাই নাম যদি হয় অন্যদের চেয়ে আলাদা আকর্ষণীয় তাহলে অবশ্যই সেই মানুষটিকে হাজারো মানুষের মধ্যে থেকেই আলাদাভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব।

তাছাড়া নামের অর্থ যখন সুন্দর হবে তখন একজন ব্যক্তি তার সুন্দর নামের অর্থ গুলো তার জীবনে প্রতিফলন ঘটানোর চেষ্টা করবে যা তাকে আত্মবিশ্বাসী ও সুখী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। একটি শিশুর জীবনের শুরুতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্দর নাম তো জন্মগত অধিকার। পরিবারের সদস্যরা চায় শিশুর নাম যেন সবার থেকে আলাদা সুন্দর হয়। তাছাড়া নামটি সহজবোধ্য সংক্ষিপ্ত উচ্চারণের সহজ হলে আরো ভালো হয় সেইসাথে একটি দারুন সুন্দর অর্থ থাকবে নামটির।

বিভিন্ন ধরনের মানুষ নির্বাচনে বিভিন্ন রকম পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকে। তবে বেশিরভাগ মানুষ নাম নিজের ক্ষেত্রে ধর্মীয় বিষয়গুলো অনেক ফলো করে থাকে। হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ইত্যাদি ধর্মগুলোর ধর্মগ্রন্থ থেকে নামকরণ একটা সাধারণ বিষয়। ধর্মীয় দিক বিবেচনা নাম রাখার পদ্ধতি টা সারা পৃথিবীতে জনপ্রিয়। শুধুমাত্র একটা মানুষের গান শুনে বলে দেওয়া যায় সেই মানুষটি কোন ধর্মের অনুসারী।

হিন্দু ধর্মের বেশিরভাগ সময় দেখা যায় যে তাদের দেবদেবীর ও পুণ্যবান ব্যক্তিদের নাম অনুসারে সন্তানদের নাম রাখা হয়। বেশিরভাগ হিন্দু মেয়েদের নাম তাদের ধর্মের দেবদেবীর নামে দেখা যায়। তবে বর্তমানে কিছু মানুষ তাদের সন্তানদের ট্রেন্ডি ও হাল ফ্যাশনের নামগুলো রেখে দেয়। হিন্দু ধর্মের মেয়েদের নাম রাখার ক্ষেত্রে রকম দিক বিবেচনা করে তারপরে নাম রাখা হয় অন্যান্য ধর্মের শিশুদের মতই।

অনেকেই বিভিন্ন অক্ষর দিয়ে তাদের বাচ্চাদের নাম নির্ধারণ করতে চায়। নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে পিতা মাতার নাম অনুসারে অক্ষর মিলিয়ে নাম দেওয়া হয় শিশুর। আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ আর এরাই পরবর্তী প্রজন্মের পৃথিবী কে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। শিশুর নামের ক্ষেত্রে পিতা মাতা অনেক ভাবনা চিন্তা করার পরে নাম নির্ধারণ করা।

শিশুর নাম বাছাই করনের জন্য নানান রকম দিক সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা নিজের যায় যেন নামটা পারফেক্ট হয়। বিভিন্ন রকম অক্ষর দিয়ে মানুষ নাম খুঁজে। পিতা-মাতার নামের সাথে মিলিয়ে নাম রাখা একটি জনপ্রিয় ট্রেন্ড। আমার বংশ-পরম্পরা অনুযায়ী নাম রাখা থাকে অনেকে আভিজাত্যের প্রতীক মনে করে। কখনো কখনো দেখা যায় যে পরিবারের প্রতিটি বাচ্চার নাম একই রকম অক্ষর দিয়ে রাখা হয়েছে। মোটকথা নাম রাখার ক্ষেত্রে একেক জনের একেক রকম এবং সবগুলো চাহিদা বিবেচনায় করার পরেই একটি বাচ্চার নাম নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।

মেয়ে শিশুদের সব সময় সুন্দর সব নামকরণ করে থাকে পিতা মাতা। নির্বাচনে যেমন কিউট হয় তিনি তাদের নামগুলো দারুন কিউট হয়ে থাকে। আর হিন্দু মেয়েদের নামকরণের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় ধর্মীয় দেখবি বর্জনের পাশাপাশি অনেক পরিবারই স্টাইলিশ সব নাম রেখে থাকে। একটি সুন্দর নাম সারাটা জীবন মানুষের পরিচয় হয়ে থাকে তাই নাম নির্ধারণের জন্য পিতা-মাতার চিন্তার যেন শেষ থাকে না। অনেক মানুষ চাই সন্তান নামটা যেন সংক্ষিপ্ত উচ্চারণ সহ জয় সেইসাথে নামের অর্থটা যেন দারুন সুন্দর হয়।

দুই অক্ষরের নাম রাখার জন্য বেশিরভাগ মানুষ অনেক আগ্রহ থাকে কারণ নামটা ছোট হয় উচ্চারণের সহজ হয়। অতিরিক্ত বড়নাম অনেক সময় ঝামেলা সৃষ্টি করতে পারে এবং সেইসাথে বিব্রতকর পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে। তুই হোলি বড় করার চেষ্টা করে সন্তানের নাম যেন ছোট সংক্ষিপ্ত হয় সে ক্ষেত্রে দুই অক্ষরের নাম বেশ জনপ্রিয়।

ত অক্ষর দিয়ে যদি আপনারা হিন্দু মেয়ে শিশুদের জন্য কিছুই স্পেশাল নাম অর্থসহ পেতে চান তাহলে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। শুধুমাত্র আপনাদের সুবিধার্থে আমরা অক্ষর দিয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর কিছু নাম অর্থসহ সাজিয়ে রেখেছি আমাদের ওয়েবসাইটে। যখন আপনাদের প্রয়োজন হবে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইটের বেছে নিন আপনার সবচেয়ে পছন্দের হিন্দু ধর্মের মেয়ে বাচ্চার জন্য বেস্ট নামটি।

শাহরিয়ার হোসেন

শাহরিয়ার হোসেন একজন ক্ষুদ্র ব্লগার। লিখতে খুব ভালোবাসেন। অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগে ২০১৮ সালের জানুয়ারী থেকে লিখছেন। কাজের চেয়ে নিজের নাম প্রচারের ওপর বেশি গুরুত্ব দেন। সে চিন্তা থেকেই এই ব্লগের উৎপত্তি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button