প্রেমিক প্রেমিকার কিস করার উপকারিতা

প্রেমিক প্রেমিকার কিস করার উপকারিতা

প্রেমিক প্রেমিকা কিস করলে আসলে কি ধরনের উপকার পাওয়া যায় সে বিষয়ে যারা জানতে এখানে ভিজিট করেছেন তাদের উদ্দেশ্যে আমরা এই পোস্টে এ বিষয়গুলো আলোচনা করব। প্রেমিক-প্রেমিকা যদি কিস করে তাহলে একে অন্যের মধ্যে সম্পর্ক যেমন দীর্ঘ হবে তেমনি ভাবে এটা অনেক সময় খারাপ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে। সাধারণত কিস করলে একে অন্যের প্রতি কাছে আসা যায় এবং একে অন্যের প্রতি বিশ্বাস রাখা যায় সেহেতু যদি উভয়ের সম্মতিতে কিস প্রদান করা হয় তাহলে দেখা যাবে যে বিষয়টা খারাপ নয়। কিন্তু সেই কিস প্রদান করা যদি প্রেমিক প্রেমিকার ক্ষেত্রে হয় তাহলে যদি সেটা ব্রেকআপ পর্যায়ে ঘটে যায় তাহলে অনেকের ক্ষেত্রে এটা এতটাই মন খারাপ হবে যে এই স্মৃতি আপনাকে বারবার কষ্ট দেবে।

তাই যদি ব্রেকআপ হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে অথবা আপনারা যদি একে অন্যের প্রতি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে থাকেন এবং ফ্যামিলির দিক থেকে এ সম্পর্ক যদি অটুট বন্ধন রাখার চেষ্টা করতে পারেন তাহলে আপনারা একে অন্যকে কিস করলে বিষয়টা অত্যন্ত ভালো হবে। বিভিন্ন উন্নত রাষ্ট্রে এই কিস প্রথা চালু রয়েছে এবং প্রথম সাক্ষাতেই যখন একে অন্যের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে চাই তখন গালে অথবা ঠোঁটে কিস করে। তাই আপনারা যদি গালে অথবা ঠোটে কিস করার ইচ্ছা জেগে থাকে এবং আপনার প্রেমিকাকে যদি আপনি কিস করতে চান তাহলে সর্বপ্রথমে তাকে আপনি বিষয়টি জানান।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে আপনার গার্লফ্রেন্ড হয়তো আপনাকে অনুমতি প্রদান না করলেও তার হাব ভাবে বুঝতে হবে সে আসলে আপনার থেকে কিস পেতে চাইছে কিনা। যদি মনে হয় সে আপনার থেকে কিস পেতে চাইছে এবং তার না কথাটির ভেতরে লুকিয়ে আছে তাহলে সে ব্যাক্তি অবশ্যই খুশি হবে। আমরা সম্পর্কে প্রবেশ করার পর যতই ভালো সাজার চেষ্টা করি না কেন একে অন্যকে ছোঁয়ার প্রতি এক তীব্র আকাঙ্ক্ষা মনের ভেতরে লুকিয়ে থাকে।

সম্পর্কের শুরুতে তাকে ছোবনা অথবা তার কাছে যাবো না এরকম কথা বার্তা থাকলেও অনেক সময় তাদের কাছাকাছি গিয়ে আমরা মুখে হাত দিয়ে অথবা কিস করা এ বিষয়গুলো খুব সহজভাবেই হয়ে যায়। তাই প্রেমিক প্রেমিকা হিসেবে আপনারা যখন এই কাজটি করবেন তখন অবশ্যই সতর্কভাবে করতে হবে যাতে করে আশেপাশের মানুষ সেটা বুঝতে না পারে।

অধিকাংশ প্রেমের ক্ষেত্রে ঝগড়া এবং বিভিন্ন বিষয়ে মনোমালিন্য বিষয়টা খুব বেশি পরিমাণে ঘটে থাকে। মনের মানুষের সঙ্গে রাগারাগি হওয়ার পরে যদি তার সঙ্গে আপনি দেখা করতে পারেন এবং দেখা করার পর তাকে কিস করতে পারেন তাহলে আপনাদের এই ঝগড়া বিবাদ অনেকাংশে কমে যাবে।

তাই মনের মানুষকে জড়িয়ে ধরে কিস করতে পারলে সেটা সম্পর্কে উন্নতি ছাড়া অবনতির দিকে যাবে না। তবে বর্তমান সময়ে অনেক ছেলে থাকে যারা মেয়েদের শরীরের প্রতি লোভ লালসা প্রদর্শনীর জন্য কিস করতে চাই এবং তাদের কাছে সম্পর্কের এই গভীরতার চাইতে শারীরিক সম্পর্কটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে।

তাই প্রেমিক-প্রেমিকার ক্ষেত্রেও আপনারা যদি একই নিয়ম অনুসরণ করতে না চান তাহলে এড়িয়ে যাবেন অথবা যদি একই অন্যের প্রতি দীর্ঘ বিশ্বাস থাকে অথবা একে অন্যের ছেড়ে যাওয়া সম্ভাবনা যদি না থাকে তাহলে কিস করতে পারেন। তাই এটার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারলাম যে সম্পর্কের মধ্যে যদি ঝগড়া বিপদ থেকে থাকে অথবা একে অন্যের প্রতি যদি কোনো কারণে খারাপ লাগা থেকে থাকে তাহলে কাছে যাবেন এবং একে অন্যকে কিস করলে মনটা অনেক ভালো হয়ে যাবে। তাই প্রেমিক প্রেমিকার কিস করার মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি ঘটার সম্ভাবনা সবচাইতে বেশি থাকে। সম্পর্কের অবনতি যদি ঘটাতে না চান তাহলে আপনারা মাঝেমধ্যে তাদের সঙ্গে দেখা করে কিস করলে বিষয়টা অনেক ভালো হবে।

About শাহরিয়ার হোসেন 4779 Articles
Shahriar1.com ওয়েবসাইটে আপনার দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় যা কিছু দরকার সবকিছুই পাবেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*