অনেক কষ্টে যখন পড়াশোনা করে ভালো ফলাফল অর্জন করেন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সার্টিফিকেট উত্তোলন করে দেখতে পান সেখানে তথ্য গত ভুল রয়েছে তখন নিজের কাছে যেমন খারাপ লাগে তেমনি ভাবে এটা জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই আপনি যদি বুঝতে পারেন অথবা লক্ষ্য করেন আপনার সার্টিফিকেট এর বিভিন্ন তথ্যের সঙ্গে অন্যান্য তথ্যের কোন মিল নেই এবং আপনারা যদি এই ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট সংশোধন করতে চান তাহলে মনে করে যে আমাদের ওয়েবসাইটের এই পোষ্ট আপনাদের কিছুটা হলেও ধারণা প্রদান করবে।
তাছাড়া সকল বোর্ডের শিক্ষার্থীদের জন্য কোন নিয়ম অনুসরণ করলে এবং বিস্তারিত প্রসেস অনুসরণ করার মাধ্যমে কিভাবে কোথায় কোন অফিসে গিয়ে কোন কাগজপত্র জমা দিতে হবে এবং কত টাকা ফি প্রদান করতে হবে এ সংক্রান্ত আলাদা একটি পোস্ট করা হয়েছে। আপনারা হয়তো এই পোষ্টের মাধ্যমে সেই অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এর পোস্টের লিংক পেয়ে যাবেন এবং সেই লিংক ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনারা একেবারে বিস্তারিত তথ্য এবং এটুজেড জেনে নিতে পারবেন।
তবে যাইহোক আপনারা যারা যশোর বোর্ডের শিক্ষার্থী রয়েছেন তাদের সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম সম্পর্কে আজকে এই পোষ্টের মাধ্যমে অবগত করানো হবে এবং আপনি যদি মনে করেন এই পোস্ট-টা আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তাহলে শেষ পর্যন্ত আপনারা পোস্ট পড়ে দেখবেন এবং এই পোষ্টের মাধ্যমে ধারণা অর্জন করে নিজ নিজ সার্টিফিকেট নিজেদের উদ্যোগে সমাধান করে নিবেন। সার্টিফিকেট সংশোধন করার ক্ষেত্রে কিছু কিছু সময় এফিডেভিট করা লাগে এবং এই এফিডেভিট করার জন্য নিকটস্থ উকিলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা আপনাকে বেশি সহায়তা প্রদান করবে।
তাছাড়া শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুসরণ করে আপনাকে সার্টিফিকেট সংশোধন করার জন্য পত্রিকায় একটি বিজ্ঞাপন দিতে হবে এবং এই বিজ্ঞাপন সংগ্রহ করতে হবে। এরপরে আপনারা সেই সকল কাগজপত্র নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হবেন এবং আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার পর তাদেরকে এ বিষয়টি অবহিত করলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহৃত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অফিশিয়াল ওয়েবসাইট অর্থাৎ শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে লগইন করে আপনার তথ্য সংশোধনের বিষয়টি অবগত করানো হবে।
এরপরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আপনারা যখন শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন এবং সেখানে একটি প্রোফাইল ওপেন করতে যাবেন তখন আপনাকে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পেমেন্ট করে আসতে হবে। এক্ষেত্রে টাকা পেমেন্ট করার পর আপনার নিজ দায়িত্বে একটি প্রোফাইল ওপেন করে নিজের যে তথ্যের ভুল রয়েছে সেগুলো সংশোধন করে নিতে পারবেন।
এ সকল কাগজপত্র জোগাড় করে আপনারা শিক্ষা বোর্ডের অফিসে এক দিন উপস্থিত হবেন এবং তাদেরকে জিজ্ঞাসা করে জেনে নিবেন কোন দপ্তরের মাধ্যমে এ কাজটি সমাধান করা হয়। তবে অনেক সময় দেখা যায় যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনেক ক্লার্ক আছেন যারা এ কাজটি করে দেন নিজেদের দায়িত্ব এবং এর বিনিময়ে তারা কিছু পরিমাণ টাকা চাইলেও আপনারা এ কাজটি করে নিতে পারেন।
কারণ আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্লারকে বিষয়ে অভিজ্ঞ এবং তারা এই কাজটি করতে পারে বলে অতি সহজে এবং অল্প সময়ে আপনারা এই কাজটি শেষ করে দিতে পারবে। কিন্তু আপনি যখন দিনের পর দিন বিভিন্ন অফিসের দৌড়াদৌড়ি করবেন অথবা টাকা খরচের বিষয়ে সব সময় বেশি খরচ করবেন তখন এটা আপনার জন্য ক্ষতিকর এবং আপনি চাইলে নিজের উদ্যোগে করলে সেটা ভালো। তবে যাইহোক আপনারা যারা যশোর বোর্ডের শিক্ষার্থী রয়েছেন তারা উপরের নিয়ম অনুসরণ করে সার্টিফিকেট সংশোধন করে নিন।

Leave a Reply