ঈদুল আযহা মানে কি

Rate this post

সাধারণ দৃষ্টিকোণ থেকে ঈদুল আযহা বলতে গেলে আমরা কোরবানির ঈদ বুঝে থাকি। কিন্তু আরবি শব্দ থেকে যদি বাংলা শব্দ করতে চাই তাহলে ঈদুল আযহা মানে কি তা অনেকেই জানিনা। তাই এখানে আমরা ঈদুল আযহা মানে কি সে প্রসঙ্গে আলোচনা করব এবং আপনারাও সেগুলো পড়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন। আর যখন ঈদুল আযহা সম্পর্কে ধারণা অর্জন করতে পারবেন তখন

এগুলোর মহিমান্বিত দিকগুলো বুঝে নেওয়ার পাশাপাশি পালন করার ক্ষেত্রেও আপনার ভেতরে এক ধরনের গুরুত্ব ও ভালো বোধ কাজ করবে। সহজ হোক অথবা কঠিন হোক যেকোনো ধরনের টপিক আপনাদের জানানোর উদ্দেশ্যে আমরা নিয়মিতভাবে আলোচনা করছি বলে আপনারা অনেক কিছু এখান থেকে জেনে নিতে পারছেন। তাই এই পোস্ট ভিজিট করে যারা ঈদ উল আযহা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারলেন তাদের জন্য অনেক ভালো হবে।

মুসলমানদের জীবনে দুইটি প্রধান ধর্মীয় বড় উৎসবের নাম হলো ঈদ। দীর্ঘ এক মাস রমজান মাসের রোজা রাখার পরে ঈদুল ফিতর আসে এবং তার ঠিক দুই মাস দশ দিন পর ঈদুল আযহা পালন করা হয়। যেহেতু ঈদ আমাদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা ধর্মীয় উৎসব সেহেতু ইসলামী চন্দ্র বর্ষের জিলহজ মাসে এই ঈদুল আযহা পালন করা হয়ে থাকে। তবে আপনারা যেহেতু ঈদুল আযহা মানে কি জানতে এসেছেন সেহেতু এখানকার এই আলোচনার ভিত্তিতে আমরা বলবো যে এটার মানে হলো ত্যাগের উৎসব।

যদিও ঈদুল আযহা একটি আরবি বাক্যাংশ তারপরও এটার বাংলা অর্থ পড়লে দাঁড়াবে যে ত্যাগের উৎসব।তাই যারা ঈদুল আযহা পালন করবেন তাদের ভেতরে এক ধরনের ত্যাগ করার বিষয় কাজ করতে হবে এবং আপনি আপনার প্রিয়তম বস্তুকে কোরবানি করার মধ্য দিয়ে যে ত্যাগ করছেন এবং মহান আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি অর্জন করছেন সে বিষয়ে আপনার নিয়ত সঠিক থাকতে হবে।

যেদিন ঈদুল আযহা পালন করা হয় সেদিন ফজরের নামাজের পর ঈদগাহে গিয়ে দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করে থাকেন এবং পরবর্তীতে সকলেই কোরবানি করে থাকেন। এক্ষেত্রে যাদের সামর্থ্য রয়েছে তারা সামর্থ্য অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের হালাল পশু হালাল উপার্জনের টাকা দিয়ে কোরবানি করে থাকেন। তাই ঈদুল আযহার দিনে আপনি যে প্রাণীকে কোরবানি করবেন সেটা যেন আপনার ভালবাসার বস্তু হয় এবং সেটা যেন আপনি মন থেকে ত্যাগ করে আল্লাহর সন্তুষ্ট অর্জন করতে পারেন তেমন নিয়ত রাখবেন।

মুসলমানদের জীবনে এই ধর্মীয় উৎসবে কোরবানি করার ভেতর দিয়ে নিজেদের ভেতরের পশুত্বকে মেরে ফেলার মাধ্যমে আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়। সেই সাথে এই ভালবাসার বস্তুকে কোরবানি দেওয়ার মধ্য দিয়ে আল্লাহ পাক আমাদের ধন-সম্পদে এবং রিজিকের ভেতরে বরকত দান করেন। তাই আপনারা যখন কোরবানির ঈদ পালন করবেন তখন অবশ্যই নিয়ত ঠিক রাখতে হবে।

তাছাড়া আপনি যে পশু কোরবানি করছেন সেটার যে গোশত আসছে সেগুলো সঠিকভাবে বন্টন করতে হবে। অর্থাৎ যার যতটুকু প্রাপ্য সেই প্রাপ্য বুঝিয়ে দেওয়ার পরে আপনার যে প্রাপ্য থাকবে সেটুকু নিজেদের খাওয়ার জন্য রেখে দেবেন। আর ঈদুল আযহা পালন করার ক্ষেত্রে আমরা অবশ্যই ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক প্রত্যেকটি কাজ সম্পন্ন করব।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button