oxat 20 mg কিসের ওষুধ | অক্সাট ২০ ট্যাবলেট এর কাজ খাওয়ার, নিয়ম ও সতর্কতা

অক্সার্ট 20 কিসের কিসের ওষুধ আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে জানতে পারবেন। যারা অক্সাট টুয়েন্টি ওষুধ সম্পর্কে জানতে চান তাদের জন্য এখানে আমরা সঠিক তথ্য উপস্থাপন করার চেষ্টা করব। বিভিন্ন ধরনের মানসিক সমস্যার কারণে আপনাদের হয়তো অনেকেই অক্সার্ট 20 ওষুধ খাওয়ার কথা বলবে। সে ক্ষেত্রে আপনারা এই ওষুধ খাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই নিজেরা ডাক্তারি না করে একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন।

ওষুধ খাবার ক্ষেত্রে কখনোই নিজেরা নিজেদের বাহাদুরি প্রকাশ না করে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে যদি খেতে পারেন তাহলে সেটা হবে সবচাইতে বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ প্রত্যেক মানুষের বডি ফাংশন এক নয় এবং এক ওষুধের সঙ্গে তার অন্যান্য আরো ওষুধ একই অসুখের কারণে ব্যবহার করা লাগতে পারে। তাই অক্সাট টুয়েন্টি কিসের সুদ সে সম্পর্কে আপনারা যদি এখান থেকে জেনে নিতে পারেন তাহলে নিজেরা ডাক্তারি না করে একজন চিকিৎসকের পরের অংশ নিয়ে সেটি খাবেন কিনা আগে নিশ্চিত হয়ে নিন।

তাই অক্সাট টুয়েন্টি ট্যাবলেটটি যারা বিষন্নতার জন্য ব্যবহার করতে চান তারা ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের মেন্টাল ডিজারডার অথবা প্যানিক ডিজঅর্ডার থেকে শুরু করে অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার এবং পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস রিজার্ডার সম্পর্কিত সমস্যার ক্ষেত্রে এই ওষুধ সেবন করা হয়। তবে এই ডিসঅর্ডার গুলো আপনি কিভাবে আইডেন্টিফাই করবেন তা হয়তো আপনি জানেন না।

তাই এই ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে একজন নিউরো মেডিসিন অথবা ভাল কনসালটেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমাধান পেতে পারেন এবং তারা যদি এই ওষুধ আপনাদেরকে সাজেস্ট করে তাহলে আপনারা তা খাবেন। কেউ যদি এই ওষুধের খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান তাহলে বলব যে প্রত্যেকদিন একটি করে এই অক্সাট টুয়েন্টি ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। তবে এই ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এটা কেউ সেবন করবেন না।

তবে এই ওষুধ সেবন করার ফলে অনেকের ভেতরে বমি বমি ভাব হতে পারে অথবা নিদ্রাহীনতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ভয়ের সঞ্চার হতে পারে। তাছাড়া অনেক সময় অনেকের লিঙ্গের শিথিলতা দেখা দেয় অথবা পুরুষ জনমন্ত্রের অন্যান্য ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাই এই ওষুধ আপনারা যখন খাবেন তখন অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন এবং পরামর্শ নেওয়ার পরে খেলেও যদি কোন ধরনের সমস্যা মনে করেন তাহলে ডাক্তারের পরামর্শে এটা আপনারা পরিবর্তন করতে পারেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button