ভাগ কাকে বলে? | ভাগ কিভাবে করতে হয়

আপনারা যারা কোনরকম ভাবে রিডিং করতে শিখেছেন অথবা আমাদের এই পোস্ট করতে সক্ষম হয়েছেন তারা আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে ভাগ কাকে বলে এবং ভাগ কিভাবে করতে হয় তা জেনে নিতে পারবেন। গণিতের মধ্যে যে চারটি চিহ্ন বা প্রতীক ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে ভাগ হলো একটি অন্যতম প্রতীক বা চিহ্ন। ভাগের সঙ্গে আমরা বিয়োগের সম্পর্ক দেখতে পাই এবং দুইটির প্রধান অর্থ হলো বাদ দেওয়া। মনে করুন আপনার পিতা বাজার থেকে দশটি চকলেট কিনে এনেছে।

এক্ষেত্রে আপনাদের দুই ভাই-বোনকে যদি ভাগ করে দেওয়া হয় তাহলে আপনি কতটি পাবেন এটাই হল ভাগের আসল মজা অথবা আসল বিষয়। অর্থাৎ লোকসংখ্যা অনুযায়ী অথবা নির্ধারিত শঙ্খ অনুযায়ী যখন সময়কে সমান করে বন্টন করে দেওয়া হয় তখন সেটাকে আমরা ভাগ বলব। তবে যোগ-বিয়োগ গুণ অনেকে পারলেও ভাগের ক্ষেত্রে অনেকের প্যাচ লেগে যায় এবং অনেকেই ভাগ করতে পারেন না।

তাই আপনাদের উদ্দেশ্যে আজকে আমাদের ওয়েবসাইটে ভাগ কাকে বলে এবং ভাগ করার সঠিক নিয়ম এই পোস্টের মাধ্যমে জানিয়ে দেব। আপনাদেরকে আগেই বলেছি ভাগের সঙ্গে বিয়োগের সম্পর্ক রয়েছে এবং বিয়োগের মাধ্যমে একটি একটি করে বাদ দেওয়ার পরিবর্তে ভাগের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে অনেকগুলো বিষয়কে একসঙ্গে বাদ দেওয়া যায়। যখন আমরা একটি ক্ষুদ্রতম সংখ্যা বড় একটি ক্ষুদ্রতম সংখ্যার ভেতরে কতবার আছে এটা গুনতে পারি অথবা নির্ণয় করতে পারি অথবা গুণের মাধ্যমে ক্ষুদ্র সংখ্যার নামটা পড়ে সেই অবস্থানে গিয়ে পৌঁছাতে পারি তখন সেটাকে ভাগ বলে। গণিতে ভাগের চিহ্ন হলো ÷ ।

হার পাওয়ার প্রজেক্ট ট্রেনিং বিনামূল্যে মেয়েদের আউটসোর্সিং বিষয়ে ট্রেনিং কারা পাবে, কবে শুরু হবে, কিভাবে করতে হবে

এই চিহ্নের মাধ্যমে ভাজ্যকে ভাজক দ্বারা ভাগ করা যায় এবং যেটা উত্তর বের হয় সেটাকে ভাগফল বলা হয়। আশা করি এখানে আপনারা ভাগ কাকে বলে তা জানতে পেরেছেন। তাই যারা ভাগ করার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান তাদেরকে বলব যে কোন সংখ্যাকে ভাগ করতে হলে যে ছোট সংখ্যাটি রয়েছে সেটির নামতা পড়বেন এবং যে সংখ্যাকে ভাগ করতে হবে সেই পর্যন্ত পৌঁছতে আপনাদের কত ঘর অতিক্রম করা লাগছে এটা যদি নির্ণয় করতে পারেন তাহলেই উত্তর বেরিয়ে যাবে।

তবে সেই বড় সংখ্যার যদি নিঃশেষে বিভাজ্য থাকে তাহলে আপনাদের এমন সংখ্যা পর্যন্ত যেতে হবে যাতে যে সংখ্যাটিকে ভাগ করছেন সে সংখ্যার বেশি না হয়। অর্থাৎ আপনারা যদি ৩৭ কে ৯ দ্বারা ভাগ করেন তাহলে চার ঘর পর্যন্ত যাওয়া যাবে। নয়কে চার দিয়ে গুন করলে ৩৬ হয় এবং এক্ষেত্রে ৩৬ এর পরে ৩৭ হওয়ার কারণে অতিক্রম করা যাবে না এবং এই ক্ষেত্রে ভাগফল ৪ হবে এবং ৩৭ থেকে ৩৬ বাদ দেওয়ার কারণে ভাগশেষ এক হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button