Ct Scan করতে কত টাকা লাগে

Ct Scan করতে কত টাকা লাগে

যাদের শারীরিক সমস্যার কারণে ডাক্তার সিটিস্ক্যান করতে সাজেস্ট করে তারা অবশ্যই সিটি স্ক্যান করিয়ে নেবেন। কারণ সিটি স্ক্যান করানোর মাধ্যমে আপনার শরীরের ভেতরের ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়া যাবে বলে খুব সহজেই রোগ নির্ণয় করা সহজ হবে। তবে সিটি স্ক্যান করানোর ক্ষেত্রে কত টাকা খরচ লাগতে পারে অথবা সিটি স্ক্যান করানোর ক্ষেত্রে আপনাকে

কি কি সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে সে বিষয়গুলো যদি আলোচনা করি তাহলে অবশ্যই আপনারা সিটি স্ক্যান করিয়ে নিতে পারলে সবচাইতে ভালো হবে। তবে উপরের দিকে আমরা যে সমস্যার কথা লিখেছে সেগুলো সাময়িক এবং আপনারা যদি সিটি স্ক্যান করে নিতে পারেন তাহলে খুব সহজেই যে কোন রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে খুবই সুবিধা হবে এবং ডাক্তার সে অনুযায়ী আপনাকে চিকিৎসা প্রদান করতে পারবে।

তবে দেশের সকল ধরনের ডায়গনস্টিক সেন্টারে যে সিটি স্ক্যান করে থাকে বিষয়টা এরকম নয়। কারণ এটা একটা ব্যয়বহুল টেস্ট এবং সকল প্রতিষ্ঠানে আপনি যদি সিটি স্ক্যান করাতে চান তাহলে দেখা যাবে যে খুব একটা ভালো রিপোর্ট আসবে না অথবা আপনি সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করার ক্ষেত্রে ডাক্তারকে সঠিকভাবে রিপোর্ট দেখাতে পারবেন না।

সাধারণত আপনি যদি রোগ নিয়ে ডাক্তারের কাছে যান তাহলে প্রাথমিক কয়েকটি টেস্ট দেওয়ার মাধ্যমে আপনার শরীরের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে কিনা অথবা শরীরে চর্বির পরিমাণ অথবা আপনার হার্ট রেট থেকে শুরু করে অন্যান্য বিষয়ের উপর নির্ভর করে কি ধরনের সমস্যা হচ্ছে তা নির্ণয় করতে পারে। এক্ষেত্রে ইউরিন টেস্ট এবং ব্লাড টেস্ট করার মাধ্যমেও আপনার রোগ নির্ণয় করা যেতে পারে।

তবে আপনার শারীরিক সমস্যাগুলো যদি জটিল হয়ে থাকে এবং আপনি যদি কোন ভাবেই চিকিৎসা গ্রহণ করার পরও সুস্থ না হয়ে ওঠেন তখন ডাক্তার আপনার সমস্যা অনুযায়ী হয়তো সিটিস্ক্যান সাজেশন প্রদান করতে পারে। তাই দেশের বিভিন্ন ধরনের ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর চাইতে আপনারা যদি পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার অথবা ল্যাবএইড অথবা অ্যাপলো

ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিটি স্ক্যান গুলো করিয়ে নিতে পারেন তাহলে সেখানকার রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রপাতি খুব ভালো থাকার কারণে আপনার অনেক সুবিধা হবে। তবে আপনারা যেহেতু খরচ সম্পর্কে জানতে এসেছেন সেহেতু আপনারা সঠিকভাবে এই তথ্য জেনে নিবেন এবং বর্তমান সময়ের প্রত্যেকটি দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্ব গতি থাকার কারণে সকল ধরনের টেস্টের খরচ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

তাই সিটি স্ক্যান যদি করিয়ে থাকেন তাহলে আপনার কমপক্ষে 6 থেকে 12 হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। কারণ নির্দিষ্ট একটা মেশিনের ভেতরে আপনার পুরোপুরি শরীরকে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে এবং সেখানে আপনার শরীরের ঝাঁকনির মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভাবে প্রত্যেকটি অংশের ছবি অথবা রক্ত থেকে শুরু করে মাংস নালীর ছবি সুন্দর ভাবে ত্রিমাত্রিক আকারে গ্রহণ করা হবে। এতে করে আপনার শরীরের কোথায় কি সমস্যা রয়েছে সে বিষয়গুলো সম্পর্কে ডাক্তার যখন অবগত হতে পারবে তখন সে অনুযায়ী ওষুধ লিখে অথবা সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করার মাধ্যমে চিকিৎসা প্রদান করবেন।

তবে সিটি স্ক্যান করানোর সময় হয়তো শরীরের মধ্যে ঝাকুনি আসতে পারে অথবা আপনার শরীর যখন পুরোপুরি ভাবে মেশিনের ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে তখন সেখানে কিছুটা শব্দ হতে পারে। তাই এক্ষেত্রে আপনি যদি ধৈর্য ধারণ করে সঠিকভাবে তাদের দিকনির্দেশন অনুযায়ী কাজ করতে পারেন তাহলে রিপোর্ট ঠিকঠাকমতো আসবে এবং আপনার জোর

শরীরে যদি কোন ধরনের রোগ সত্যি থেকে থাকে তাহলে সেটা ধরা পড়বে। তাই এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনারা সিটি স্ক্যান করার খরচ সম্পর্কে অবগত হতে পারলেন বলে ডাক্তারের সাজেশন অনুযায়ী অবশ্যই এটা করবেন অথবা করার দরকার নেই। অর্থাৎ ডাক্তারি বিষয়ে আপনাদের যদি কোন সমস্যার সৃষ্টি হয়ে থাকে তাহলে নিজেরা ডাক্তারি না করে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করলে সঠিক চিকিৎসা পাবেন । আপনার শরীরে কোন ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া যখন ট্রিটমেন্ট চলবে তখন তার দ্বারা আপনি সুস্থ হয়ে উঠবেন।

About শাহরিয়ার হোসেন 4779 Articles
Shahriar1.com ওয়েবসাইটে আপনার দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় যা কিছু দরকার সবকিছুই পাবেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*