টিন সার্টিফিকেট বের করার নিয়ম

টিন সার্টিফিকেট বের করার নিয়ম

বাংলাদেশ রাজস্ব খাত এর মাধ্যমে পরিচালিত যে টিন সার্টিফিকেট আমাদেরকে প্রদান করা হয় সেটা যদি আমরা নিজস্ব সংগ্রহে রাখতে পারি তাহলে বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক কাজে ব্যবহার করতে পারব। অনলাইনের মাধ্যমে টিন সার্টিফিকেট তৈরি করেছেন এমন সকল ব্যাক্তিরা পরবর্তীতে চাইলেই ওয়েবসাইট ভিজিট করে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী এবং সুবিধা অনুযায়ী বারবার এটা পিডিএফ ফাইল আকারে ডাউনলোড করতে পারবেন।

সাধারণত কম্পিউটারের দোকানে আপনারা টিন সার্টিফিকেটের আবেদন করে থাকলেও পরবর্তীতে যদি এটা ঘরে বসে নিজেদের কাছে পিডিএফ ফাইল আকারে সংগ্রহ করে রাখতে চান তাহলে আপনার ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড বারবার মনে রাখতে হবে না। তাই আপনাদের সুবিধার্থে আমরা এ বিষয়গুলো উপস্থাপন করছি বলে আপনারা অবশ্যই সঠিক নিয়ম জেনে নেবেন এবং নিজেদের টিন সার্টিফিকেট ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে নিজেরাই সুযোগকে কাজে লাগাবেন।

আপনি বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে আপনার এনআইডি কার্ডের নাম্বার এবং জন্ম নিবন্ধন সনদ থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি ব্যক্তিগত পরিচয় পত্রের তথ্য দিয়ে টিন সার্টিফিকেট তৈরি করা যায়। সেই ক্ষেত্রে আপনি কোন উৎস থেকে ইনকাম করছেন এবং এই ক্ষেত্রে সরকারকে রাজস্ব বা রেভিনিউ প্রদান করছেন কিনা সে বিষয়ে একটা নির্দিষ্ট ডকুমেন্টস এর মাধ্যমে আপনার এই বিষয়গুলো উপস্থাপন করতে হবে।

আপনি যদি ব্যাংক থেকে বড় ধরনের লোন গ্রহণ করতে চান তাহলেও আপনাকে আপনার আয়ের উৎস হিসেবে এই টিন সার্টিফিকেট দেখাতে হবে। অর্থাৎ আপনি এই টিন সার্টিফিকেট দেখানোর মধ্য দিয়ে নিজেদের আয়ের উৎস উপস্থাপন করতে পারবেন এবং এর মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গা থেকে সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

তবে আপনি যদি টিন সার্টিফিকেট তৈরি না করেন তাহলে আপনাকে হয়তো একটি জায়গা থেকে সুবিধা গ্রহণ করার সুযোগ প্রদান করা হবে। অর্থাৎ এই টিন সার্টিফিকেট না তৈরি করে থাকলে আপনাকে সরকারি খাতে কোন ধরনের রেভিনিউ প্রদান করা লাগছে না। কিন্তু আপনি যদি কোন ধরনের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করতে চান তাহলে আপনার আয়ের উৎস সঠিকভাবে এবং সরকারি খাতায় যদি না দেখাতে পারেন তাহলে আপনার সেই সুযোগ প্রদান করার কোন বিষয় আর উল্লেখ থাকবে না। তাই টিন সার্টিফিকেট থাকার জন্য আপনাদের কে অনলাইনের মাধ্যমে তথ্য রেজিস্ট্রেশন করতে হবে এবং প্রত্যেকটি তথ্যের ক্ষেত্রে সঠিক তা অবলম্বন করতে হবে।

আপনি যদি একবার টিন সার্টিফিকেট তৈরি করে থাকেন তাহলে ওয়েবসাইট আপনাদেরকে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড প্রদান করবে। আপনারা যখন এটা ডাউনলোড করবেন তখন গুগল ক্রোম ব্রাউজারে গিয়ে ই টিন লিখে সার্চ করবেন। এটা লিখে সার্চ করার ফলে আপনাদের সামনে সেই অফিসিয়াল ওয়েবসাইট চলে আসবে এবং সেখানে প্রবেশ করে আপনারা যেহেতু আগে থেকে রেজিস্ট্রেশন করে রেখেছেন সেহেতু সেখানে আপনাদেরকে শুধু লগইন করতে হবে।

লগইন করার ক্ষেত্রে আপনার ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড লাগবে। যদি অন্য কোন মাধ্যমে লগইন করতে চান তাহলে সেখানে যে যোগাযোগের নাম্বার দিয়েছিলেন সেই যোগাযোগের নাম্বার দিয়েও পরবর্তীতে আপনারা লগইন করার ব্যবস্থা করে নিতে পারবেন।

যখন আপনি আপনার একাউন্টে লগইন করে নিতে পারলেন তখন বামের দিকে যে অপশন আছে সেখান থেকে ভিউ টিন সার্টিফিকেট অপশনটির ওপরে ক্লিক করবেন। তাহলে সেই টিন সার্টিফিকেট আপনাদের সামনে প্রদর্শন করানো হবে এবং সেটাই আপনারা হয়তো এর আগে ডাউনলোড করেছিলেন বলে একই ফর্মে আপনাদেরকে আবার প্রদর্শন করানো হবে।

তাই নিজস্ব টিন সার্টিফিকেট সেখান থেকে উপরের দিকে যে ডাউনলোড অপশন রয়েছে সেখানে ক্লিক করার মাধ্যমে নিজেদের মোবাইল ফোন অথবা অন্য কোন ডিভাইসে পিডিএফ ফাইল আকারে সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন। তাই অনলাইনের মাধ্যমে টিন সার্টিফিকেট তৈরি করা অত্যন্ত সহজ যেমন একটা বিষয় তেমনিভাবে এটা ডাউনলোড করে নিজেদের সংগ্রহে রাখা অত্যন্ত নরমাল একটা বিষয়।

About শাহরিয়ার হোসেন 4779 Articles
Shahriar1.com ওয়েবসাইটে আপনার দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় যা কিছু দরকার সবকিছুই পাবেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*