বিজয় দিবসের বক্তব্য | ১৬ই ডিসেম্বর এর বিজয় দিবসের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য

প্রত্যেক বছর বাঙালির জাতীয় জীবনে ১৬ই ডিসেম্বর নেমে আসে এবং এই ১৬ই ডিসেম্বরে যে আমাদের বিজয় দিবস তা পালন করা হয়। তবে এই বিজয় অর্জন করার পেছনে কতজনের ত্যাগ তিতিক্ষার স্বীকার করা রয়েছে এবং কত জনের বুক খালি হয়েছে তা যদি আমরা হিসাব করতে যাই তাহলে বুকের মাঝে হাহাকার করে ওঠে। তবে যাই হোক না কেন আপনাদের কেউ যদি বিজয় দিবসের বক্তব্য অথবা ১৬ই ডিসেম্বর উপলক্ষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করতে বলে তাহলে সেই বক্তব্যে কি বলবেন এবং কি ধরনের কথা বললে তার যৌক্তিক হবে আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে যা জেনে নিন।

আপনারা বক্তব্যের শুরুতে সেখানে উপস্থিত যে সকল অতিথিবৃন্দ রয়েছেন তাদের সকলকে সম্বোধন করে সালাম এবং শুভেচ্ছা জানিয়ে এই বক্তব্য শুরু করতে পারেন। প্রকৃতপক্ষে বিজয় দিবস বাঙালির জাতীয় জীবনে একটি আনন্দের দিন। তবে এই আনন্দের দিনে আমরা পেয়েছি অনেকদিন পরে। ব্রিটিশ শাসন আমল থেকে আমরা যখন পাকিস্তানের অধীনে চলে আসলাম তখন পূর্ব পাকিস্তানের হিসেবে আমাদের জীবনে নেমে আসে বিভিন্ন ধরনের বৈষম্য এবং তিরস্কার। ধীরে ধীরে আমাদের ওপরে বিভিন্ন ধরনের অবিচারের শৃংখল চাপিয়ে দেওয়া হয়।

এক্ষেত্রে আপনারা যখন বিজয় দিবসের বর্ণনা প্রদান করবেন তখন সেখানে অবশ্যই 47 এর দেশ ভাগ থেকে শুরু করে বাহান্নোর ভাষা আন্দোলন এবং উল্লেখযোগ্য ঘটনা গুলো সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরবেন। যদি সেই পরিমাণ সময় আপনার হাতে না থাকে তাহলে আপনাকে বলব যে আপনি অবশ্যই ৭১ সালের ৭ই মার্চ থেকে শুরু করতে পারেন। এক্ষেত্রে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে আপনারা যে চূড়ান্তভাবে অবহেলিত হলেন এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এই ক্ষমতা আদায় করার জন্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করলেন সেগুলো ৭ই মার্চের মাধ্যমে তুলে ধরবেন।

হার পাওয়ার প্রজেক্ট ট্রেনিং বিনামূল্যে মেয়েদের আউটসোর্সিং বিষয়ে ট্রেনিং কারা পাবে, কবে শুরু হবে, কিভাবে করতে হবে

এরপরে 25 মার্চের রাতের হানাদার বাহিনী দের বর্বরতার শিকার হলাম আমরা এবং তারপর থেকে এদেশের যুবক সমাজ এবং বিভিন্ন সামর্থ্যবান মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করার ফলে আমরা কি কি হারিয়েছি এবং এর ফলে আমাদের কতটা ক্ষতি হয়েছে তা আমরা একটু আলোচনা করব। তারপরে এদেশের মুক্তিযুদ্ধে যে সকল ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং তাদের আজীবন স্মরণ করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবো।

এভাবে আমরা মহান বিজয়ের কথা উল্লেখ করার ক্ষেত্রে মহান মুক্তিযুদ্ধের কথা উল্লেখ করবো এবং এক্ষেত্রে দুই একটি ঘটনা যদি উল্লেখ করি তাহলে বিজয় দিবসের পরিপূর্ণতা পাবে। এভাবে আপনি আপনার বিজয় দিবসের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখতে পারেন এবং এক্ষেত্রে সকল মুক্তিযোদ্ধাকে শ্রদ্ধা করে ভালোবাসা নিবেদন করতে হবে এবং স্মরণ করতে হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button