কিভাবে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার ডিএক্টিভেট করবো? জেনে নিন ফেসবুক আইডি ডিলিট এর সহজ নিয়ম

আপনি কি ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের ওপর ভীষণ রাগান্বিত? আর ফেসবুক ও মেসেঞ্জার ব্যবহার করতে চাচ্ছেন না? এগুলো ছাড়া বাঁচার উপায় খুঁজছেন?

এই তিনটি প্রশ্নের উত্তর যদি “হ্যাঁ” হয় তাহলে আজকের লেখাটির শুধুমাত্র আপনার জন্য। আজকে আমরা আলোচনা করব কিভাবে ফেসবুক আইডি ডিএক্টিভেট করবেন, ডিলিট করবেন এবং পার্মানেন্টলি মুছে ফেলবেন।

সবার প্রথমে আমরা আলোচনা করব কিভাবে খুব সহজেই ফেসবুক আইডি ডিএক্টিভেট করবেন।

কি কি কারনে ফেসবুক একাউন্ট ডিএক্টিভেট করা জরুরী

ফেসবুক একাউন্ট ডিএক্টিভেট করার অনেকগুলো কারণ রয়েছে। আজকে আমরা জনপ্রিয় কতগুলো কারণ অনুসন্ধান করবো।

প্রেমিক প্রেমিকার অভিমানঃ ফেসবুক যতগুলো লাথি-ঝাটা সহ্য করে তার অধিকাংশই প্রেমিক-প্রেমিকার অভিমানের কারণে হয়ে থাকে। আর এই কারণেই অনেকে ফেসবুক থেকে মুক্তি (সাময়িক) চায়। সাময়িক বলছি কারণ মানুষের অভিমান যেমন ক্ষনস্থায়ী, তেমনি ফেসবুক ব্যবহার না করতে চাওয়াটাও ক্ষনস্থায়ী।

অনেককে দেখা যায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকে আর কখনো ফেসবুকে আসবো না। কিন্তু রাত পারি না দিতেই আবার ফেসবুকে হাজির।

পারিবারিক সমস্যাঃ ফেসবুক ব্যবহারে অনেকের পরিবারে সমস্যা দেখা দেয়। পারিবারিক সমস্যা থেকে বাঁচতে অনেকেই ফেসবুক থেকে বিশ্রাম নিতে চায়। আপনার পরিবারেও যদি সমস্যা লেগে থাকে এবং তার কারণ যদি হয় ফেসবুক তাহলে এখনি আপনার উচিত ফেসবুক একাউন্ট ডিএক্টিভেট করা।

পড়ালেখার ক্ষতিঃ সবচেয়ে বেশি ফেসবুক ব্যবহার করে ছাত্রছাত্রীরা। অনেকেই মনে করে থাকেন ফেসবুকে ঢোকার রাস্তা আছে কিন্তু বের হওয়ার রাস্তা নাই। কথাটি একদমই সঠিক।

এখানে আপনি ঢুকতে পারেন দুই মিনিটের জন্য কিন্তু কখনোই আধা ঘন্টা বা ১ ঘন্টার আগে বের হওয়া হয় না। এজন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয় ছাত্রছাত্রীরা।

দেখা গেল একজন ছাত্র দুই মিনিটের জন্য ফেসবুকে প্রবেশ করল এবং চ্যাটিংয়ে এতই মশগুল হয়ে গেল যে ২ ঘণ্টা পার হয়ে গেছে অথচ সে খেয়াল নেই। পরে যখন টের পেল তখন অনেকটা সময় নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণেও ছাত্ররা সিদ্ধান্ত নেয় আর ফেসবুক ব্যবহার করব না।

নিরাপত্তা ঝুঁকিঃ অনেকেই ফেসবুককে অনিরাপদ মনে করে। বা ফেসবুক ব্যবহারে অনেক সময় আমাদের এমন মানুষের সাথে পরিচয় ঘটে যা অনিরাপদ বলে মনে হয়। আবার এমনও হয় আমরা ঝুঁকির সম্মুখীন হয়। যেমন কেউ আমাদের ছবি ডাউনলোড করে নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা ঘটিয়ে ফেলল। এমনও ঘটতে দেখা যায় ইনবক্সে আদম প্রদানকৃত ছবি হ্যাক হয়ে যায়।

এসকল ঘটনা থেকে বাঁচতে অনেকেই সিদ্ধান্ত নেয় ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার জন্য। আপনি কি ঝুঁকির সম্মুখীন? তাহলে এখনই সময় ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করে ফেলা এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

ফেসবুক আইডি ডিএক্টিভেট এর নিয়ম

ফেসবুক আইডি খোলা যতটা সহজ তার চাইতেও হাজার গুনে সহজ ফেসবুক আইডি ডিএক্টিভেট করা। আপনারা হয়তো অনেকেই ফেসবুক আইডি নিজে খুলতে পারেননি। অন্য কেউ আপনাকে ফেসবুকের দুনিয়ায় নিয়ে এসেছিল।

কিন্তু কি আশ্চর্যের বিষয় লক্ষ্য করুন। আপনি যখন ফেসবুকের দুনিয়া থেকে চলে যাবেন তখন কারো সাহায্যের প্রয়োজন পড়বে না। জি হ্যাঁ আপনি এ কাজটি করতে পারবেন। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস আপনি এটা পারবেন।

যে প্রশ্নগুলোর সম্মুখীন হই প্রতিনিয়ত

ফেসবুক এবং মেসেন্জার বিষয়ক অনেকগুলো প্রশ্নের সম্মুখীন হই প্রতিনিয়ত। সে কারণেই সিদ্ধান্ত নিলাম আমার ওয়েবসাইটে লেখাগুলো প্রকাশ করার। যেন এখান থেকে মানুষ উপকৃত হতে পারে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে পারে। আমরা এখানে যত সম্ভব বেশি প্রশ্ন যুক্ত করার চেষ্টা করেছি। আশা করছি আপনার প্রশ্নটি রয়েছে এখানে। আর যদি আপনার প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের জানান। আমরা যত দ্রুত সম্ভব উত্তর দেয়ার চেষ্টা করব।

প্রশ্নঃ কিভাবে ফেসবুক মেসেঞ্জার ডিএক্টিভেট করবো?

উত্তরঃ আপনি যখন ফেসবুক একাউন্ট ডিএক্টিভেট করবেন তখন সেখানে অপশন দেওয়া হবে আপনি মেসেঞ্জার ব্যবহার করতে চান কি না, সেখান থেকেই ফেইসবুক মেসেঞ্জার ডিএক্টিভেট করতে হবে।

প্রশ্নঃ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিএক্টিভেট করেছি কিন্তু ম্যাসেঞ্জার ডিএক্টিভেট হয়নি, কিভাবে সমাধান পাব?

উত্তরঃ এজন্য আপনাকে পুনরায় ফেসবুক অ্যাকাউন্ট অ্যাক্টিভেট করতে হবে। এবং পুনরায় ডিএক্টিভেট করার সময় মেসেঞ্জার ব্যবহার করতে চাই না লেখাতে ক্লিক করতে হবে।

শাহরিয়ার হোসেন

শাহরিয়ার হোসেন একজন ক্ষুদ্র ব্লগার। লিখতে খুব ভালোবাসেন। অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগে ২০১৮ সালের জানুয়ারী থেকে লিখছেন। কাজের চেয়ে নিজের নাম প্রচারের ওপর বেশি গুরুত্ব দেন। সে চিন্তা থেকেই এই ব্লগের উৎপত্তি। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স কমপ্লিট করেছেন। বর্তমানে একই বিভাগে মাস্টার্স এ অধ্যায়নরত।

Related Articles

Back to top button
Close
Close