নারীর প্রতি সহিংসতামূলক আচরণের কারণগুলাে পরিবার ও এলাকার দৃষ্টিভঙ্গি

নবম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২০

এ্যাসাইনমেন্ট/নির্ধারিত কাজ:

  • নারীর প্রতি সহিংসতামূলক আচরণের কারণগুলাে বর্ণনা কর।
  • এই ধরনের সহিংসতা রােধে তােমার নিজের পরিবার ও এলাকার দৃষ্টিভঙ্গির উন্নয়নে কী কী পদক্ষেপ নেয়া যায়?
  • যে কোনাে একটি পদক্ষেপ বাস্তবায়নের জন্য একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রণয়ন কর।

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ ।তোমাদের বিদ্যালয়ে ষষ্ঠবারের মতো দেওয়া নবম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এর এসাইনমেন্ট এর সমাধান পেতে আমাদের ওয়েবসাইটের অ্যাসাইনমেন্ট ফাইলে গিয়ে ক্লিক করো। নবম শ্রেণীর সকল বিষয়ের সমাধান পেতে আমাদের সূচিপত্র দেখো। আমাদের ওয়েবসাইটের নবম শ্রেণীসহ প্রত্যেকটি শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট এর সমাধান বিস্তারিতভাবে এবং নির্ভুল ভাবে দেয়া আছে।

ফলে শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ডাউনলোড করে তাদের এসাইনমেন্টের খাতাটি সুন্দরভাবে শিক্ষকের কাছে উপস্থাপন করতে পারে। নবম শ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এর এসাইনমেন্ট/ নির্ধারিত কাজে দেওয়া প্রশ্ন: “* নারীর প্রতি সহিংসতা মুলক আচরণের কারণ গুলি বর্ণনা করো।

* তোমার নিজের পরিবার ও এলাকার দৃষ্টিভঙ্গি উন্নয়নে কি কি পদক্ষেপ রাখতে পারে? * যেকোনো একটি পদক্ষেপ বাস্তবায়নের জন্য একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করো।” এই প্রশ্নগুলোর সমাধান তোমরা নিচে পাবে। নবম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের নারীর প্রতি সহিংসতার বিষয়ে যে কথাগুলো বলা হয়েছে সেগুলো হলো:- পুরুষ বা নারী কর্তৃক যেকোনো বয়সের নারীর প্রতি নারী হওয়ার কারণে যে সহিংস আচরন করা হয় তাই নারীর প্রতি সহিংসতা।

কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তি সমষ্টি নানা অজুহাতে নারীর আর্থ-সামাজিক, শারীরিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে নারীর প্রতি সহিংসতা ঘটে থাকে। বাংলাদেশের নারীর প্রতি সহিংসতা নারী স্বাধীনতার ক্ষেত্রে প্রধান প্রতিবন্ধকতা। নারী সহিংসতার বিভিন্ন রকমের হতে পারে। যেমন- যৌতুক সম্পর্কিত নির্যাতন, শিক্ষা ও সম্পত্তির অধিকারের বঞ্চনা ও তাদের বোঝা চাপানো, কন্যাশিশুকে মারধর, যৌন নিপীড়ন ইত্যাদি।

যৌন হয়রানি নির্যাতন ও ধর্ষণ নারী ও শিশু পাচার নির্মম ও পৈশাচিক সহিংসতা। বাংলাদেশে নারীর প্রতি সহিংসতা গুরুত্বপূর্ণ কারণ দারিদ্র। দারিদ্র্য বিমোচনে কাজের খোঁজে এসে অনেক নারী সহিংসতার শিকার হয়। বাংলাদেশের নারী শ্রমিকের একটা বিরাট অংশ পোশাক শিল্পে কাজ করে। এসব নারী শ্রমিক রাতে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে, বাসস্থান সংকটের কারণে একই ঘরে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বসবাস করার কারণে অনেকেই যৌন নির্যাতনের শিকার হন, গৃহকর্মী নির্যাতনের শিকার।

বাংলাদেশের নারী নির্যাতনের প্রতিবাদ করতে পারে না ফলে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংস ঘটনা আরো বেড়ে যাচ্ছে। তবে নারীর সহিংসতা রোধে বিভিন্ন মন্ত্রনালয় যেমন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিশু ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন সাহায্যকারী সংস্থা আইন, সালিশ কেন্দ্র, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।

যেমন নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে আইনি প্রতিকার এর মধ্যে পড়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, এসিড অপরাধ দমন আইন, সহিংসতা দ্বারা মৃত্যু ঘটানোর শাস্তির ধারা আহত হওয়ার শাস্তি নারী ও শিশু পাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশের আইন। নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সমাজের বিভিন্ন করণীয় রয়েছে।

যেমন- – নারী শিক্ষা কার্যক্রম গ্রহণ ,বিধবা ভাতা প্রদান এবং নারীর প্রতি দিনের কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি করতে হবে – নির্যাতনকারী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে -নারী অধিকার অধিকার সংশ্লিষ্ট আইন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে -নির্যাতন সহিংসতা ও প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইন প্রণয়ন এবং এর যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে।

শাহরিয়ার হোসেন

শাহরিয়ার হোসেন একজন ক্ষুদ্র ব্লগার। লিখতে খুব ভালোবাসেন। অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগে ২০১৮ সালের জানুয়ারী থেকে লিখছেন। কাজের চেয়ে নিজের নাম প্রচারের ওপর বেশি গুরুত্ব দেন। সে চিন্তা থেকেই এই ব্লগের উৎপত্তি। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স কমপ্লিট করেছেন। বর্তমানে একই বিভাগে মাস্টার্স এ অধ্যায়নরত।

Related Articles

Back to top button
Close
Close