বিষয়ঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, শ্রেণিঃ অষ্টম এসাইনমেন্ট

বিভিন্ন বিদ্যালয়ে এখন নিয়মিতভাবে অ্যাসাইনমেন্ট গ্রহণ করা হচ্ছে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের অনভিজ্ঞতার কারণে অ্যাসাইনমেন্টগুলো দিতে তারা অক্ষমতা প্রকাশ ঘটাচ্ছে। সুন্দরভাবে এবং পূর্ণাঙ্গভাবে এসাইনমেন্ট তৈরি করার স্বার্থে আমরা তোমাদেরকে সহায়তা করছি। তোমরা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তোমাদের প্রয়োজনীয় বিষয়টি নিচে গিয়ে ডাউনলোড করে নিতে পারো। ডাউনলোড করে নিয়ে তোমরা তোমাদের অ্যাসেসমেন্টএর খাতাটি তৈরি করতে পারো আরো সুন্দরভাবে। তাই দেরি না করে নিচের অ্যাসাইনমেন্ট গুলো দেখতে পারো। নিচে তোমাদের জন্য অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এর এসাইনমেন্ট দেয়া হলো। একটি দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য যে দিকনির্দেশনা হয় তাকেই বলা হয় দেশটির জনসংখ্যা নীতি। দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নীতি প্রণয়ন করা হয়। বাংলাদেশের জনসংখ্যা নীতির মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য হলো দেশের সব মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সেবা পৌঁছে দেয়া। পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি ও প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা জোরদার করা, শিশু ও নারীর অপুষ্টির হার কমিয়ে আনা; প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণ এর মাধ্যমে সর্বত্র ও সকলের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়া; দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের জন্য স্বাস্থ্য সেবার ব্যবস্থা করা ;দেশের প্রবীণ জনগোষ্ঠী নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ রয়েছে। সরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। যেমন সহকারী শিক্ষা প্রসারের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে; প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পাঠ্যবই সরবরাহ এবং ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মেয়েদের উপবৃত্তি প্রদান করা যেতে পারে; সরকার নাগরিকদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কার্যক্রম চালু রয়েছে। বেসরকারি উদ্যোগের মধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে। যেমনঃ কমিউনিটিভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা প্রকল্প; ২ সন্তানের প্রকৃত পরিবার গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে ;বাল্যবিবাহ রোধে উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ;ধর্মীয় নেতাদের উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি ইত্যাদি। দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল করা যায়। কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা ;দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণ মূলক কার্যক্রমের সম্প্রসারণ ঘটানো ;প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটানো ;নারীশিক্ষার প্রসার স্বাস্থ্য ও পুষ্টি কার্যক্রম এর প্রসার; উৎপাদনমুখী চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ; কর্মসংস্থানের জন্য কৃষির আধুনিকীকরণ ইত্যাদি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। এছাড়াও ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিস্তার; তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার প্রদান ইত্যাদির মাধ্যমে দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে দেশের সার্বিক উন্নয়ন করা সম্ভব।

শাহরিয়ার হোসেন

শাহরিয়ার হোসেন একজন ক্ষুদ্র ব্লগার। লিখতে খুব ভালোবাসেন। অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগে ২০১৮ সালের জানুয়ারী থেকে লিখছেন। কাজের চেয়ে নিজের নাম প্রচারের ওপর বেশি গুরুত্ব দেন। সে চিন্তা থেকেই এই ব্লগের উৎপত্তি। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স কমপ্লিট করেছেন। বর্তমানে একই বিভাগে মাস্টার্স এ অধ্যায়নরত।

Related Articles

Back to top button
Close
Close