বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ডের রাগ ভাঙানোর ১০টি কার্যকরী উপায়

বয়ফ্রেন্ড এবং গার্লফ্রেন্ডের রাগ ভাঙানোর বিভিন্ন কৌশলঃ

এই পদ্ধতি গুলো আপনার ক্ষেত্রে কাজ করবে এমন কোনো গ্যারান্টি নাই, তবুও আপনি এইগুলো প্রয়োগ করে দেখতে পারেন।

আপনার বিএফ বা জিএফ যদি কোনো কারণে আপনার উপর রেগে থাকে তাহলে অভিমানের মাত্রা না বাড়িয়ে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিজেদের মধ্যে সবকিছু মিটমাট করে নিন।রাগ ভাঙানোর কিছু উপায় তুলে ধরা হলো-

১। ধরুন আপনার জিএফ বা বিএফের সাথে কিছু বিষয়ে কথা কাটাকাটি হবার পরে সে রেগে গিয়ে আপনার মেসেজের আর রিপ্লাই দিচ্ছেনা। তখন আপনি ও রেগে গিয়ে মেসেজ না দিলে মনোমালিন্য বেড়ে যেতে পারে। আপনি মেসেজ দিতেই থাকবেন।

আপনার কোনো দোষ না থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আপনাকেই প্রথমে সরি বলতে হবে। বিশেষ করে মেয়েরা সবসময়ই চাই তার বিএফ তার কাছে প্রথমে সরি বলুক।

সুতরাং আপনার জিএফ এর সাথে ঝগড়া হয়ে আপনার জিএফ যদি রেগে যায় আপনি ই প্রথমে সরি বলুন সেখানে আপনার দোষ থাক চাই না থাক।

২। একটু ঝগড়ার কারণে আপনার জিএফ বা বিএফ আর কথা বলতে চাইছেনা তখন আপনি বলতে পারেন ১ মিনিটের মধ্যে যদি তুমি আমাকে ফোন না দাও তাহলে আজ না খেয়ে থাকবো।

এতে আপনার গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ডের মন কিছুটা হলেও নরম হয়ে যাবে।

৩। তারপর ধরুন দেখা করতে যাওয়ার সময় কোনো কারণে আপনার লেট হয়ে গেল, এইদিকে আপনার জিএফ রেগে আগুন। আপনি পাশের দোকান থেকে ২ টা গোলাপ নিয়ে গিয়ে আপনার গার্লফ্রেন্ডের সামনে ধরুন দেখবেন সব রাগ গলে জল হয়ে যাবে।

৪। সারাদিনের ব্যস্ততার কারণে আপনার গার্লফ্রেন্ডকে টাইম দিতে পারেন নাই। দিন শেষে খোঁজ নিলে আপনাকে কথা শোনাচ্ছে বা রেগে আছে?

আপনার সারাদিনের ব্যস্ততার পর কথাগুলো শুনতে খারাপ লাগলেও উল্টো তাকে মেজাজ না দেখিয়ে শান্ত মনে বলুন আমাদের ভবিষ্যৎ সুন্দর করতেই তো এত ব্যস্ততা। দিন শেষে একটু মিষ্টি করে কথা বলুন দেখবেন সব ঠিক হয়ে গেছে।

৫। আপনার অতীত ছিলো যা আপনি রিলেশনের শুরুতে আপনার প্রিয় মানুষটিকে জানান নাই । এখন কোনোভাবে আপনার জিএফ বা বিএফ জেনে গেছে আপনার অতীত।

ভীষণ আপসেট হয়ে গেছে এবং কোনো ভাবেই সে আপনাকে আর মেনে নিতে পারছেনা।এ মুহূর্তে আপনার কি করণীয়? আপনি সেই মুহূর্তে সবকিছু মেনে নিন,সব স্বীকার করে নিন।

এবং আপনার প্রিয় মানুষটিকে সেই মুহূর্তে বলতে পারেন আমি তোমাকে ভীষণ ভালোবাসি। আমি চেয়েছিলাম না আমার অতীতের কিছু ভুলের জন্য আমি তোমাকে হারিয়ে ফেলি। তারপরে ও সে ভেঙ্গে পড়লে তাকে আর ডিস্টার্ব না করে সময় দেন।সত্যিই যদি সে আপনাকে ভালোবাসে ‌ঠিক ফিরে আসবে।

৬। আপনি হয়তো কোনো কারণে মনে করছেন আপনাদের সম্পর্কের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। আপনি হয়তো ভেবে নিচ্ছেন আপনার প্রিয় মানুষটি অন্য কাউকে পেয়ে গেছে,, আপনার সাথে আর আগের মতো কথা বলেনা মোটকথা একটু দূরত্ব ফিল করছেন।

রিলেশন শিপের মধ্যে এমন ঘটতেই পারে তবে তা যে অন্য কারো আসার কারণে এমনটি নাও হতে পারে। দুজনেই মনখুলে কথা বলুন, আপনার প্রিয় মানুষটিকে আপনি যে আগের মতো ই ভালোবাসেন কথা ও কাজের মাধ্যমে বোঝাতে চেষ্টা করুন।

৭। আপনার গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ড অর্থাৎ আপনারা যদি এক ই এলাকার হোন তবে সবসময় আপনার জিএফ বা বিএফ এর বাবা মাকে সম্মান দিয়ে কথা বলুন। এক ই এলাকার না হলে ফোনে কথা বলার সময় তাঁর পরিবারের সদস্যদের খোঁজ খবর নেন তাহলে রিলেশন শিপ অনেক বেটার আশা করা যায়।

৮। আপনার জিএফ বা বিএফ এর কাছের কারো সাথে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখুন।যেমনঃ ফ্রেন্ড বা ছোট ভাইবোন যাতে কোনো কারণে রাগারাগী করে ফোন সুইচ স্টপ বা ফেসবুক আইডি ডিএক্টিভ করলে সহজেই যোগাযোগ করা যায়।

জিএফকে ম্যানেজ করার ক্ষেত্রে তার বেস্ট ফ্রেন্ড, ছোট ভাইবোন বিশেষ করে ভাবীর সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। রিলেশন শিপের রাগারাগী ম্যানেজ করার ক্ষেত্রে এরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শাহরিয়ার হোসেন

শাহরিয়ার হোসেন একজন ক্ষুদ্র ব্লগার। লিখতে খুব ভালোবাসেন। অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগে ২০১৮ সালের জানুয়ারী থেকে লিখছেন। কাজের চেয়ে নিজের নাম প্রচারের ওপর বেশি গুরুত্ব দেন। সে চিন্তা থেকেই এই ব্লগের উৎপত্তি। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স কমপ্লিট করেছেন। বর্তমানে একই বিভাগে মাস্টার্স এ অধ্যায়নরত।

Related Articles

Back to top button
Close
Close