তাঁর ছোট ছেলে শেখ রাসেল কারাগারকে কী বলত?

ডিসেম্বর ২৬ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ প্রশ্নের উত্তর (দেখে নিন আজকের উত্তর)

মুজিব শতবর্ষ ২০২০ উপলক্ষে priyo.com একটি কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। প্রতিদিন কুইজের সঠিক উত্তর দিয়ে জিতে নিতে পারেন একশটি(১০০) ল্যাপটপ পুরস্কার। বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানের ১০০ তম জন্মদিন উপলক্ষে কুইজ এর আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত কুইজটি ১০০ দিন চলবে। প্রতিদিন ৫ জন বিজয়ী পাবে পাঁচটি স্মার্ট ফোন।

আপনি কি স্মার্টফোন বিজয়ী হতে চাচ্ছেন? আপনার কি সাধারণ জ্ঞানে দক্ষতা অনেক? কিংবা আপনি কি দ্রুত কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারেন? প্রশ্নগুলোর উত্তর যদি হ্যাঁ হয় তাহলে আজকের আর্টিকেল আপনার জন্যই।

কারণ এই লিখাটি পড়ে আপনি আজকের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানতে পারবেন। এছাড়াও বিগত দিনের কুইজ বিজয়ীর নাম জানতে পারবেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ প্রশ্নের উত্তর

আপনারা ইতোম্যধ্যেই জেনছেন প্রিয় ডট কম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে একটি কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। উক্ত কুইজ প্রতিযোগিতা 100 দিন ব্যাপী চলবে। প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষ কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে।

আপনারা নিশ্চয়ই জানেন বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ বিচরণের কারণে যেকোনো প্রশ্নের উত্তর ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংগ্রহ করা যায়। সে কারণেই প্রিয় ডট কম কুইজের প্রশ্ন প্রকাশ করার পর তা খোঁজার জন্য ইন্টারনেটে সার্চ করে থাকেন।

শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর জীবনের একটা বড় অংশই কারাগারে কাটিয়েছেন। এমনকি একটানা বছরের পর বছরও তাঁকে বিনা বিচারে কারাগারে বন্দি থাকতে হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা জেলগেটে গিয়ে শেখ মুজিবের সঙ্গে দেখা করতেন। তাঁর ছোট ছেলে শেখ রাসেল কারাগারকে কী বলত?

আব্বার বাড়ি

06/01/2021 (Quiz Question Answer)

প্রশ্ন: ৬ষ্ঠ কাউন্সিলে শেখ মুজিব আওয়ামী লীগের কোন পদে নির্বাচিত হন?

উত্তর: সভাপতি।

১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে তৎকালীন গোপালগঞ্জ-কোটালিপাড়া আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি মুসলিম লীগের প্রভাবশালী প্রার্থী ওয়াহিদুজ্জামানকে পরাজিত করেন। যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল নৌকা।

সেই নির্বাচনে কত ভোটের ব্যবধানে শেখ মুজিব জয়ী হয়েছিলেন?

উত্তর: ১০ হাজার প্রায়।

আপনাদের কষ্ট লাঘব করার জন্য আমরা নতুন একটি আয়োজন যুক্ত করেছি আমাদের ওয়েবসাইটে। আপনি এখান থেকে প্রতিদিন এর প্রশ্নের উত্তর তৎক্ষণাৎ জেনে যাবেন কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই। একটি কথা উল্লেখ করা প্রয়োজন আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরই শতভাগ সঠিক।

ঢাকার মুকুল হলে (আজাদ প্রেক্ষাগৃহ) পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের এক কাউন্সিলের আয়োজন করা হয় । এ কাউন্সিলেই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান।

কোন সালে প্রথমবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি?

উত্তর: ১৯৫৩ সালে।

আজকের প্রশ্নঃ ১৯৩৮ সালে তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ও শ্রমমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গোপালগঞ্জ যান। এ উপলক্ষ‌্যে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী তৈরির দায়িত্ব পড়ে ১৮ বছরের কিশোর শেখ মুজিবের ওপর। সভা শেষে সোহরাওয়ার্দী যান মিশন স্কুল দেখতে। স্কুলের ছাত্রদের পক্ষে তাঁকে সংবর্ধনা দেন শেখ মুজিব। স্কুল পরিদর্শন শেষে সোহরাওয়ার্দী যখন ফিরছিলেন, হাঁটতে হাঁটতে তাঁর সঙ্গে লঞ্চঘাট পর্যন্ত এগিয়ে যান শেখ মুজিব। এ সময় তাঁদের মধ্যে পরিচয় হয়। সোহরাওয়ার্দী তাঁর নাম-ঠিকানা লিখে নেন এবং পরবর্তীতে চিঠি লিখেন। মিশন স্কুল পরিদর্শনের সময় শেখ মুজিব স্কুলের কোন সমস্যার কথা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে জানান?

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সংক্রান্ত উক্ত প্রশ্নটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানতে হলে এই তথ্যটি অবশ্যই আপনার জানা প্রয়োজন। এই উত্তরটি সঠিক ভাবে প্রিয় ডট কম ওয়েবসাইটে দেওয়ার মাধ্যমে আপনি একটি ল্যাপটপ বা স্মার্টফোন জিতে নিতে পারেন। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন দেখে নেয়া যাক আজকের প্রশ্নের উত্তর।

আজকের উত্তরঃ

ছাদ থেকে পানি পড়া এবং ছাত্রাবাসের সমস্যা

‘আমরা গোপালগঞ্জ মাথুরানাথ ইনস্টিটিউট মিশনারি হাইস্কুলেরই ছাত্র। স্কুলের ছাদে ফাটল ধরেছে, সামান্য বৃষ্টি হলেই সেখান থেকে বৃষ্টির পানি চুঁইয়ে পড়ে আমাদের বই-খাতা ভিজে যায়। ক্লাস করতে অসুবিধা হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার এ ব্যাপারে বলা হলেও কোনো ফল হয়নি। ছাদ সংস্কারের আর্থিক সাহায্য না দিলে রাস্তা ছাড়া হবে না।’

বিগত দিনের প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর

আমরা এখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্যুইজ প্রতিযোগিতা প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর সংগ্রহ করে রাখবো। প্রতিদিনের প্রশ্ন দিন ও তারিখ উল্লেখ করে প্রকাশ করা হবে। সুতরাং আপনি সেটাকে মুজিব ক্যুইজ আর্কাইভ নামে অভিহিত করতে পারেন। তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে চলুন দেখে নেওয়া যাক বিগত দিনের কুইজের প্রশ্ন ও উত্তরগুলো।

৬ ডিসেম্বর – শেখ মুজিবের বাবার ফুটবল টিমের নাম কী ছিল?

উত্তরঃ অফিসার্স ক্লাব

৫ ডিসেম্বর – কত বছর বয়সে শেখ মুজিব চোখের গ্লুকোমা রোগে আক্রান্ত হন?

উত্তরঃ ১৬ বছর

৪ ডিসেম্বর – কাজী আবদুল হামিদ মারা গেলে ওই সেবা সমিতির ভার নেন শেখ মুজিব এবং অনেক দিন তিনি এটি পরিচালনা করেন। সেই সমিতির নাম কী?

উত্তরঃ মুসলিম সেবা সমিতি

৩ ডিসেম্বর – কত সালে শেখ মুজিব বেরিবেরি রোগে আক্রান্ত হন?

উত্তরঃ ১৯৩৪ সালে

২ ডিসেম্বর –

১ ডিসেম্বর –

প্রিয় ডট কম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ

প্রিয় ডট কম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে ডিসেম্বরের ১ তারিখ হতে। প্রতিদিন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা বাড়ছে। priyo.com তাদের ওয়েবসাইটে প্রতিদিনের বিজয়ীদের নাম ছবিসহ প্রকাশ করছে।

উক্ত কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় রাত বারোটার সময়। একটি স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ পাওয়ার আশায় রাত জেগে লাখো মানুষ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। এবং প্রতিদিন অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়ছেই।

Priyo.com Mujib Quiz

Priya.com Mujib quiz is going on in Bangladesh. Thousands of people are taking part in this competition. The price of this competition is mobile phone and laptop.

Everyday 5 winner will get 5 smartphone. And final 100 people will get 100 laptop for completely free. And the most interesting prize of this competition is 100 gigabyte of internet.

So if you are interested of getting 100 GB internet for 100 days validity then you can take part in this competition. Details about priyo.com mujeeb quiz is available here.

সংক্ষেপে শেখ মুজিবুর রহমানের পরিচয়

বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ ই মার্চ ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে। তাঁর পিতার নাম শেখ লুৎফর রহমান এবং মাতা শেখ সায়েরা খাতুন।

বঙ্গবন্ধুর দাদার নাম খান সাহেব শেখ আব্দুর রশিদ,তার প্রতিষ্ঠিত একটি ইংরেজি স্কুলে ( অত্র অঞ্চলের একমাত্র ইংরেজী স্কুল) শেখ মুজিবুর রহমান তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করেন এবং চতুর্থ শ্রেণীতে গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন।

বঙ্গবন্ধুর মাতা শেখ সায়েরা খাতুন শহরে থাকতেন না কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন শহরে চলে গেলে ঘরে আর আলো জ্বলবে না,তার বাবা অভিশাপ দেবে,তাই তিনি গ্রামেই থাকতেন যার কারণে বঙ্গবন্ধু বাবার কাছে ঘুমাতেন।

শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৩৪ সালে মাদারীপুর হাইস্কুলে ভর্তি হন সপ্তম শ্রেণীতে, তখনই তিনি আক্রান্ত হয় বেরিবেরি রোগে এবং তার হার্ট দুর্বল হয়ে পড়ে। কলকাতায় বড়বড় ডাক্তারের কাছে চিকিৎসার পরে বছর দুয়েক এভাবেই চলে।

১৯৩৬ সালে শেখ মুজিবের চোখের প্রবলেম ধরা পড়ে এবং দেখা যায় তিনি গ্লুকোমা রোগে আক্রান্ত। কলকাতায় ডাক্তার টি.আহমেদ সাহেব বঙ্গবন্ধুর চোখের অপারেশন করান এবং তখন থেকেই তিনি ডাক্তারের নির্দেশমতো চশমা পড়া শুরু করেন।

অপারেশনের পর চিকিৎসক বঙ্গবন্ধুকে রেস্টে থাকতে বলেন যার কারনে ১৯৩৬ সাল অপারেশনের পর থেকে বঙ্গবন্ধু নিজেকে পড়াশোনা, খেলাধুলা এসব থেকে দূরে রাখেন।

উল্লেখ্য শেখ মুজিবুর রহমান ছোট থেকেই ফুটবল খেলায় বেশ পারদর্শী ছিলেন। অপারেশনের পর শুধুমাত্র বিকেলে তিনি সভায় যোগ দিতেন,এসময় তিনি স্বদেশীদের নজরে পড়েন।

১৯৩৭ সালে শেখ মুজিব ভর্তি হলেন গোপালগঞ্জ মিশন হাইস্কুলে। এসময় তিনি রাজনীতিতে পা দেননি বরং এসময় ফুটবল খেলা নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন তিনি। তবে এসময় “মুসলিম সেবা সমিতির” সম্পাদক ছিলেন এবং মুসলিম সেবা সমিতির লক্ষ্য ছিলো গরিব ছেলেদের সাহায্য করা,বাড়ি বাড়ি গিয়ে এ সমিতির সদস্যরা মুষ্টি ভিক্ষা করতো এবং সঞ্চয় করে রেখে দিতো গরিবদের সাহায্য করার জন্য।

১৯৩৮ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের সাক্ষাৎ হয় তৎকালীন বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা এবং শ্রমমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী সাহেবের সাথে। ১৯৩৭ সালে বাংলার এই দুই নেতা গোপালগঞ্জ আসেন, বঙ্গবন্ধু তখন মিশন স্কুলের ছাত্র ছিলেন এবং স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর নেতা ছিলেন। গোপালগঞ্জ গিয়ে হক সাহেব পাবলিক স্কুল দেখতে গেলেন এবং শহীদ সাহেব গেলেন মিশন স্কুল পরিদর্শনে এবং সেখানে পরিচয় হয় বঙ্গবন্ধুর সাথে।

সেখানে শহীদ সাহেব মুজিবকে ডেকে নিজে থেকে নাম ঠিকানা লিখে নিলেন এবং তাদের সেখানে থেকে চলে আসার পর শেখ মুজিবের সাথে তাদের বেশ কিছুবার চিঠি আদান-প্রদান ও হয়। বঙ্গবন্ধুর প্রথম জেল হয় এই ১৯৩৮ সালেই, গ্রামের হিন্দু মুসলিম দাঙ্গায় মালেক নামের এক মুসলিমকে হিন্দুরা ধরে নিয়ে গিয়ে মারপিট করে।

সেখানে শেখ মুজিবুর রহমান দলবল নিয়ে ছুটে যায় মালেককে ছাড়িয়ে নিয়ে আসতে,কিছু হিন্দু তাদের সাথে অসদাচরণ করলে শুরু হয়ে যায় মারপিট। এই মারপিটের সূত্র ধরেই প্রথম বঙ্গবন্ধুকে জেলে যেতে হয়। ১৯৩৯ সালে শেখ মুজিব হলেন মুসলিম লীগের সম্পাদক। ১৯৪০ সালে তাঁর পিতার ফুটবল টিম অফিসার্স ক্লাবকে তার মিশন স্কুলের টিম( তিনি এই টিমের ক্যাপ্টেন ছিলেন) হারিয়ে দিলেন।

১৯৪১ সালে তিনি ম্যাট্রিক পরীক্ষায় অংশ নেন এবং অসুস্থ থাকার কারণে আশানুরূপ ফলাফল অর্জন করতে পারে নি। ১৯৪৩ সালে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের সময় তিনি প্রাদেশিক মুসলিম লীগ কাউন্সিলের সদস্য হয়। এভাবেই বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক অঙ্গনে পা রাখেন এবং বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন দেশের বীজ বপন শুরু হয়। ১৯৪৭ এ ভারত পাকিস্তান বিভাগের পর পাকিস্তান আবার দুই অংশে বিভক্ত হয়ে যায়।

পাকিস্তানের এক অংশের নাম দেওয়া হয় পূর্ব পাকিস্তান ও অন্য অংশের নাম দেওয়া হয় পশ্চিম পাকিস্তান। দুই অংশে পাকিস্তান বিভক্ত হলেও দুই অংশের কর্তৃত্ব দখল করে পশ্চিম পাকিস্তান। নানাভাবে বঞ্চিত করতে থাকে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষদের। এ অন্যায়ের বিচার করতে বারবার আন্দোলন হয়েছে এ দেশে যার মূল নায়ক ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয় সবখানে আমরা তাকে মহানায়ক হিসেবে পেয়েছি।

১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলন ছিলো বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ,এই দাবি উত্থাপন করেন জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন ,”তোমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে বেড়িয়ে পড়ো”,” এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,রক্ত যখন দিয়েছি আরো দেবো তবুও এ দেশকে স্বাধীন করেই ছাড়বো ইনশাল্লাহ। মূলত এ ভাষণেই বাঙালি জাতির মধ্যে স্বাধীনতার নেশা জাগ্রত হয়।

১৯৭১ এর ২৬ শে মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং তারপরে তাকে ধানমন্ডির ৩২ নং বাসি থেকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৭১ সালে নয়মাসব্যাপী যে যুদ্ধ হয় সেখানে বঙ্গবন্ধু সশরীরে উপস্থিত ছিলেন না কারণ তাকে গ্রেপ্তার করে জেলে আটকে রাখা হয়েছিল।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু দেশের মাটিতে ফিরে আসেন এবং দেশ পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেন। কিছু দেশী ও বিদেশী কুচক্রী মহল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবকে সপরিবারে হত্যা করে এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন যেন হঠাৎ করেই থমকে যায়। এভাবেই শেষ হয়ে যায় এ মহান নেতার সংগ্রামী জীবন।

শাহরিয়ার হোসেন

শাহরিয়ার হোসেন একজন ক্ষুদ্র ব্লগার। লিখতে খুব ভালোবাসেন। অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগে ২০১৮ সালের জানুয়ারী থেকে লিখছেন। কাজের চেয়ে নিজের নাম প্রচারের ওপর বেশি গুরুত্ব দেন। সে চিন্তা থেকেই এই ব্লগের উৎপত্তি। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স কমপ্লিট করেছেন। বর্তমানে একই বিভাগে মাস্টার্স এ অধ্যায়নরত।

Related Articles

Back to top button
Close
Close